বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন দেশ পেয়েছি: বিভাগীয় কমিশনার
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ জানুয়ারি ২০২৪, ৫:৩২:৪১ অপরাহ্ন

বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী, এনডিসি বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্বজন হারানোর কষ্ট অনুভব করে নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়তে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন প্রকল্পের আওতায় সিলেটে কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে ২৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধকালীন বীরত্বগাথা শুনানোর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. নুরুল আমিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মোবারক হোসেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন বীরত্বগাথা শুনান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল, ভবতোষ রায় বর্মণ রানা, মো. ইরশাদ আলী।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সম্পদ লুণ্ঠন করে পশ্চিম পাকিস্তানে বড় বড় রাস্তা ও অট্টালিকা নির্মাণ করা হয়েছে। বাঙ্গালিদের সেনাবাহিনীসহ সমস্ত চাকরি থেকে বঞ্চিত করে জোরপূর্বক উর্দু ভাষা চাপিয়ে দিয়েছে তারা। পাকিস্তানীদের এ বৈষম্যের কারণেই বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাঁদের আত্মদানের ফলে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ পেয়েছি। নতুন প্রজন্মকে এসব শোষণের ইতিহাস জানতে হবে।
জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী এ চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধার মুখে শুনল মুক্তিযুদ্ধে তাঁদের বীরত্বের কাহিনী। কীভাবে তাঁরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সামনে রেখে ঐতিহাাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে চেতনায় ধারণ করে যুদ্ধকালীন প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন সে প্রেরণার কথা। বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ শুনালেন সেসব সম্মুখ যুদ্ধ এবং প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের কথা; কীভাবে আহতদের যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে উদ্ধার করে সেবা দিয়েছেন, পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে কীভাবে পর্যুদস্ত করেছেন, শুনালেন সেসব উদ্দীপক, লোমহর্ষক গাথা। বিজ্ঞপ্তি





