কোটাব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ জুলাই ২০২৪, ৬:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে এ কর্মসূচি শুরু হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি ইউনিভার্সিটি সেন্টার ভবনের সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় গোলচত্বরে এসে শেষ হয়।
এরপর দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে গোলচত্বরে ২০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র পুনর্বহালের দাবি জানান।
বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটাপ্রথার কবর দে; গর্জে উঠুক আরেকবার, একাত্তরের হাতিয়ার; কোটা না মেধা? মেধা, মেধা; অ্যাকশন অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন, কোটাপ্রথার বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন; আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই; আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার; কোটাপ্রথা যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’ প্রভৃতি শ্লোগান দেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুল্লা আল গালিবের সঞ্চলনায় বক্তব্য দেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সজীব হোসেন ও সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আজাদ শিকদার।
ফয়সাল আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালে বৈষম্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমরা যে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি, সে দেশে এই বৈষম্যমূলক কোটা অযৌক্তিক। যেখানে স্বাধীন দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করা হয়, সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় প্রজন্মকে কোটার সুবিধা দেওয়া বৈষম্যমূলক। আমাদের দাবি, ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহাল করে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ কোটা বাতিল করা হোক। মেধার ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দিতে হবে।
এ দিকে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেন এমসি কলেজের শিক্ষার্থীরা। ওই কলেজের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী তানজিনা বেগম বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই দেশে মেধার কম মূল্যায়ন হয়েছে। এই কোটাব্যবস্থা কোনোভাবেই আমাদের সঙ্গে যায় না। ২০২৪ সালে এসে নারী কোটা, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করা সময়ের দাবি। শুধু পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এই কোটা রাখা যেতে পারে।





