করিম উল্লাহ মার্কেটের দোকান নিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৭:১৯:৩৬ অপরাহ্ন

নগরের বন্দরবাজারস্থ করিম উল্লাহ মার্কেটের দোকানকোঠা নিয়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আমিরুল ইসলাম নজমুল মিথ্যাচার ও হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন মার্কেটের স্বত্বাধিকারী ছানা উল্লাহ ফাহিম।
বুধবার বিকেলে মার্কেটের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমিরুল ইসলাম নাজমুল হাইকমিশনের মাধ্যমে সরকার ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার মিথ্যা অভিযোগ প্রেরণ করে আমাদের বারবার পুলিশি হয়রানির শিকার করছেন। আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে এখন তিনি গণমাধ্যমেও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন। আমরা তার মিথ্যা অভিযোগ ও বিরামহীর হয়রানির শিকার।’
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০০৩ সালের ৩০ আগস্ট ইংল্যান্ড প্রবাসী আমিরুল ইসলাম নজমুলের অনুরোধে করিম উল্লাহ মার্কেটের দ্বিতীয় তলার ৩৪ নম্বর দোকানটি মো. ফকরুল ইসলাম নামে একজনের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়। ভাড়াটিয়া বন্দোবস্ত গ্রহিতা আমিরুল ইসলাম নাজমুলকে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করেন। ফকরুল ইসলামের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী ওই দোকানে ব্যবসা করলেও নজমুল তার ভগ্নিপতি এমএস সাঈদ, চৌধুরী বেলালকে দিয়ে ব্যবসা করাবেন বলে জানান। এর প্রেক্ষিতে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘২০২০ সালে প্রবাসী আমিরুল ইসলাম নজমুল ফোনে অভিযোগ করেন ভগ্নিপতি বেলাল দোকান ভাড়া, বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য সহায় সম্পত্তির আয় আত্মসাৎ করেছেন। তাঁর বাড়ি ও দোকান অন্যায়ভাবে দখল করে রেখেছেন। তিনি তার ভয়ে দেশে আসতে পারছেন না। টেলিফোনে একাধিকবার অনুরোধ করায় আমি বিষয়টি সমাধান করে দেই।’
মার্কেটের স্বত্বাাধিকারী ছানা উল্লাহ ফাহিম বলেন, ‘২০২০ সালে কোভিড চলাকালে হঠাৎ পুলিশ আমার বাড়িতে নোটিস নিয়ে আসে। আমিরুল ইসলাম নাজমুল লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে আমাদের বিরুদ্ধ একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর থেকে হাইকমিশনের মাধ্যমে সরকার ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার মিথ্যা অভিযোগ প্রেরণ করে হয়রানি করেছেন। পাশাপাশি সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটও বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন প্রেরণ করেছেন।’ আমিরুল ইসলাম নজমুল চুক্তিপত্রের বিভিন্ন শর্ত ভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ করেন ফাহিম। বিজ্ঞপ্তি





