ছাতকে এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ অক্টোবর ২০২৪, ৬:১২:৩৮ অপরাহ্ন

oplus_2
ছাতক প্রতিনিধি:
ছাতকে সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্তৃক তদন্ত কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখিত বিরোধকৃত ভুমির তদন্ত না করে অন্য দাগের ভুমিতে দায়সারা তদন্ত করায় এলাকাবাসীর অসন্তোষের বহি:প্রকাশ হিসেবে ১ অক্টোবর এ অভিযোগ দেয়া হয়।
জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের মানসিনগর মৌজার ০.৫৩ একর সরকারী খাল রকম ভুমি যা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার লোকজন নৌকা চলাচলসহ পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা এবং গরুর গোপাট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। সরকারী এ খালের উপর একটি পাকা ব্রীজও রয়েছে। সম্প্রতি এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল বেআইনীভাবে সরকারী এ ভুমির অধিকাংশ দখল করে ঘরবাড়ি ও দেয়াল নির্মাণ করে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন বাধা-বিপত্তি দিলে তারা এসবে কর্ণপাত না করে অবশিষ্ট অংশও দখলে নেয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তারা ব্রীজের নীচের অংশ মাটি ভরাট করে সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করছে। এতে সরকারী ভুমিসহ এলাকার গরুর গোপাট দখলের পাশাপাশি এলাকার পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা ও নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্ব আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মানসীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষে গ্রামের মৃত আব্দুল বারীর পুত্র কামাল উদ্দিন একই এলাকার আলাউদ্দিনসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২৯ সেপ্টেম্বর সরকারী সার্ভেয়ার নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভুমি) আবু নাসের বিষয়টি সরজমিনে তদন্ত করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, উল্লেখিত সরকারী ভুমির তদন্ত না করে সহকারী কমিশনার (ভুমি) পার্শ্ববর্তী একটি দাগের সড়ক পরিদর্শন করে চলে যান। এ সময় তদন্ত কার্যক্রমে অনিয়ম ও অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি চলে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তাঁর গাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানায়।
সহকারী কমিশনার(ভুমি)’র সরজমিন তদন্ত কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করে সরকারী ভুমি ও গোপাট রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে এ আবেদন দেন কামাল উদ্দিন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তাফা মুন্না জানান, এমন একটি অভিযোগ তিনি পেয়েছেন।





