সবজীর দাম চড়া
প্রকাশিত হয়েছে : ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ৯:৫৩:০৭ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার: ঈদের পরে কাঁচা বাজার অনেকটাই ক্রেতাশূন্য। বিক্রেতারাও পুরোদমে শুরু করেননি বেচাকেনা। অনেক দোকান এখনও বন্ধ। তাই বাজারে স্বাভাবিক সময়ের মতো ব্যস্ততা নেই, নেই বিক্রেতাদের হাঁকডাকও। তবু সবজি বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামেই। শুক্রবার কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। ঈদ পরবর্তী বাজারে সবজির দাম কমেনি। এখনও আগরে মতো বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ সবজি। এছাড়া আজ নতুন করে কয়েকটি সবজির দাম বেড়েছে। তবে কয়েকটি সবজির দাম কমেছে।
বাজারে প্রতি কেজি টক টমেটো ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৬০ টাকা, শিম ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা, শসা ৬০-১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, পেঁপে ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, পটল ৬০-৭০ (হাইব্রিড)-১৬০ (দেশি) টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা। এছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা ৪০ টাকা, হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়।
এক্ষেত্রে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে টক টমেটোর দাম ২০ টাকা, দেশি গাজরের দাম ১০ টাকা, পেঁপের দাম ১০-২০ টাকা, চিচিঙ্গার দাম ১০ টাকা আর প্রতি পিসে বাঁধাকপির দাম ২০ টাকা বেড়েছে।
সবজি বিক্রেতারা বলেন, চাষিদের অনেকেই ঈদের সময়ে মাঠে যাননি, পরিবহনও সীমিত ছিল। ফলে সরবরাহ কমেছে। কিছুদিনের মধ্যেই বাজার স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি। তারা বলেন, সব মিলিয়ে মধ্যবর্তী এমন অবস্থায় সবসময়ই সবজির দাম বেশি থাকে। মৌসুমি সবজি উঠতে শুরু করলে দাম আবার কমে আসবে। এদিকে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ঈদের ছুটির পরে জনসমাগম কম, পরিবহন ও সরবরাহ সীমিত। ফলে কিছু পণ্যের দাম বাড়লেও এটা দীর্ঘস্থায়ী নয়। কয়েক দিনের মধ্যে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে মাছ-সবজির দামও কমে আসবে।