ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কারণে আবার স্বাধীন দেশ পেয়েছি : মুক্তাদির
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ জুলাই ২০২৫, ৬:৩৬:১০ অপরাহ্ন

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আমন্ত্রণে বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে কারান্তরীণ নেতাকর্মীদের নিয়ে এক স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার সিলেট নগরীর দরগাগেইটস্থ একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, যারা দেশকে এবারের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন তারা এ প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা। যারা কারাগারে গিয়েছেন, তারা এই দেশের জন্যই কারাবরণ করেছেন। আপনাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রামের কারণে আমরা স্বৈরাচার হটিয়ে আবার একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। জুলাই যোদ্ধা হিসেবে যারা স্বীকৃতি পেয়েছেন তাদের মধ্যে আপনাদের নাম থাকা ন্যায়সংগত। যদি আপনাদের নাম না এসে থাকে তা হলে এই ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানাই। এক্ষেত্রে আমাদের যা যা করণীয় আমরা তা করবে।
সবার সম্মিলিত আত্মত্যাগের ফলে যে দেশটা আমরা পেয়েছি, এই দেশে যে বা যারা বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে বিএনপির নাম কালো করার চেষ্টা করবে তারা কেউ বিএনপির পদধারী না। দল ও দেশের জন্য তাদের কোনো আত্মত্যাগ নেই। সেজন্যই তারা আমাদের ও বিএনপির নাম ব্যবহার করতে চায়। যে বা যারাই এ ধরনের অপচেষ্টা লিপ্ত থাকবে তাদের আমরা প্রতিহত করবো।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, এই দেশকে আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার লালিত বাংলাদেশে পরিণত করে ছাড়বে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ ও প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবো। আপনাদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যেতে দেব না।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাকিল মোর্শেদ ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আফছর খানের যৌথ পরিচালনায় স্মতিচারণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুবের আহমদ, সাধারণ সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন দিনার, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি নিগার সুলতানা ডেইজি, সাধারণ সম্পাদক ফাহিমা আহাদ কুমকুম, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ফাতিমা জামান রুজি, সহ দপ্তর সম্পাদক জাহারা রুবিন, আব্দুল ওয়াদুদ মিলন, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. আলমগীর হোসেন, এনামুল হোসেন এনাম, মো: ইমরান হোসেন, মো: কামরান আহমেদ তালুকদার, আলী আহমদ, মো: রুহুল আমিন রুয়েল, মো: নজরুল ইসলাম, মো: শাহজাহান, মো: আব্দুর রহিম, মো: খোকন ইসলাম, সালাউদ্দিন আহমদ, শাহিন আহমদ, শাফি আহমদ, বাবুল হোসেন, শেখ আব্দুল মালিক, ফয়জুর রহমান, মকবুল আলী, জুবায়ের আহমদ, মো: সাইদুর রহমান, মো: আব্দুল আহাদ, শামীম আহমদ, মো: দেলওয়ার হোসেন, রাসেল আহমদ, মেহরাজ ভূইয়া পলাশ, মো: হৃদয় হাসান খোকন, শেখ সুমন আহমদ, গিয়াস মিয়া, সুজল, আক্তার হোসেন, আব্দুল হাফিজ, মো: মোহহিমিন আহমদ আল আমিন, সৈয়দ নোমান রশিদ, রুম্মান আহমদ, মো: বাবুল মিয়া, আলী আহমদ রেদোয়ান, আব্দুল সুফিয়ান, আল হেলাল, মো: খালেদুর রহমান, সুলতান মনসুর রিপন, রহমত উল্লাহ (রহমত মারুফ), মো: শমসের আলী ও জাহিদ আহমদ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি






