প্রথাগত ছাত্ররাজনীতি বাদ দিতে হবে : তারেক রহমান
প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ আগস্ট ২০২৫, ৮:০৯:৩৪ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রথাগত ছাত্র রাজনীতি বাদ দিতে হবে। তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের জন্য হোক। কথা বলার রাজনীতি নয়, জনগণের মানোন্নয়নের রাজনীতি করতে হবে। যোগ্য নেতৃত্বই পারে দেশ গড়তে। শহিদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
রোববার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ছাত্রদলের ‘ছাত্র সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণই বিএনপির তথা দেশের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের শত শত নেতাকর্মী হতাহত হয়েছে।
গণ-অভ্যুত্থানের সময় শুধুমাত্র ছাত্রদলের ২ হাজার নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে। যেই সংগঠনে তোমাদের মতো সাহসী মায়ের সন্তানেরা আছে, সেই সংগঠনের নেতাকর্মীদের কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না।’ তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হয়েছে। বাংলাদেশ এখন একটি পরিণত দেশ। এই পরিণত দেশে মানুষ বিভেদ চায় না। কথামালার রাজনীতি নয়। আমরা শুরু করেছি জীবন-মান উন্নয়নের রাজনীতি।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে কারিগরি প্রযুক্তি এবং দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আগামী দিনে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে স্কুল পর্যায় থেকে কারিগরি শিক্ষা থাকবে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আর এই দেশে রাজনীতির সুযোগ দেবো না: মির্জা ফখরুল: একই সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অনেক চেষ্টা করা হচ্ছে বাংলাদেশে বিভক্তি সৃষ্টি করবার। আমাদের পাশের দেশে ভারতবর্ষেই ফ্যাসিস্ট হাসিনা আশ্রয় নিয়েছে তার লোকবল নিয়ে। সেখান থেকে সে মাঝে মাঝেই হুমকি দিচ্ছে যে তারা বাংলাদেশে আক্রমণ করবে। শুধু তাই নয় এখানে তারা বিভিন্নভাবে গোলযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকের এই সমাবেশ থেকে আমাদেরকে শপথ দিতে হবে যে, আমরা কোনোদিনই আমরা এই ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আর এই দেশে রাজনীতি করার সুযোগ দেবো না। শপথ করতে হবে যে আমরা কারও কাছে কোনোদিন মাথা নত করবো না।’
সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, নতুন একটা সূর্য উঠেছে। এই সূর্য আলোকিত করবে আমাদের সকলকে। প্রিয় ছাত্র ভাই ও বোনেরা, আমাদের সামনে একটা সুযোগ এসেছে নতুন করে বাংলাদেশকে নির্মাণ করার। আজ আমাদের অনেক আনন্দের দিন। আবার একইসঙ্গে কষ্টে দিন। এক বছর আগে একই দিনে আমরা অনেক ছাত্র ভাই-বোনকে হারিয়েছি।
তিনি বলেন, শুধু ৩৬ দিন নয় তারও আগে ১৫ বছর ধরে আমাদের ছাত্র-জনতা, শ্রমিকেরা প্রাণ দিয়েছে। এই যে আত্মত্যাগ করার লক্ষ্য হচ্ছে আমরা একটা সুন্দর আবাসভূমি চাই। আমাদের ছাত্র চায় তারা পাশ করে চাকরি পাবে, প্রতিষ্ঠিত হয়ে বাবা মায়ের কষ্ট দুঃখ লাগব করবে। তারা বাংলাদেশের নতুন নতুন কল কারখানা দেখতে চায়, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা দেখতে চায়, ন্যায়বিচার দেখতে চায় এবং একই সঙ্গে তারা দেখতে চায় যেখানে ভালো মানুষেরা দেশ শাসন করুক একটা সুশাসন চায়।





