৩ দফা দাবিতে শাবি প্রকৌশলী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
প্রকাশিত হয়েছে : ১২ আগস্ট ২০২৫, ৭:২০:১৪ অপরাহ্ন
শাবিপ্রবি প্রতিনধি:
৯ম গ্রেডে বিএসসি প্রকৌশলী পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগসহ তিন দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে ‘প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন’-এর ব্যানারে গোলচত্বরে সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা। পরে তারা মিছিল নিয়ে প্রধান ফটক অতিক্রম করে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পাশে অবস্থান নেয় এবং কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্র কার্যালয় প্রতীকীভাবে ঘেরাও করে। এসময় বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকৌশলীরা আন্দোলনকারীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানান।
এ বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়ে প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের সাথে সংহতি ও একাত্মতা পোষণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, উপ উপাচার্য অধ্যাপক সাজেদুল করিম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইসমাঈল হোসেন।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহিদুর রহমান ও অধ্যাপক জহির বিন আলম, শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মো. মাহামুদ হাসান, যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক নুরুজ্জামান সাকিবসহ প্রকৌশল সম্পর্কিত বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী।
পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহিদুর রহমান বলেন, প্রকৌশল খাতে দীর্ঘদিন ধরেই একটি কাঠামোগত বৈষম্য চলে আসছে। ৯ম ও ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি ও কোটাব্যবস্থায় ডিপ্লোমাধারীদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ১০ম গ্রেডে শতভাগ কোটা ডিপ্লোমাধারীদের জন্য বরাদ্দ থাকায় এবং ৯ম গ্রেডে প্রমোশন কোটার মাধ্যমে অধিকাংশ পদ পূরণ হওয়ায় বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য এন্ট্রি লেভেল পদসংখ্যা ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা বাতিল করে পদোন্নতির মাধ্যমে পদ পূরণ হচ্ছে। এভাবে নিয়মবহির্ভূত পদোন্নতি শুধু কর্মসংস্থানের সমতা নষ্ট করছে না, পেশাগত মান নিয়ন্ত্রণেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আমরা চাই, প্রশাসন ও নীতিনির্ধারকরা এই বৈষম্য দূর করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং প্রকৌশল পেশার মর্যাদা রক্ষা করবে।
আন্দোলনকারীদের ৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, ৯ম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী পদে বিএসসি ডিগ্রি বাধ্যতামূলক এবং মেধাভিত্তিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ। কোটায় বা সমমান পদ তৈরি করে পদোন্নতি নয়। ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগে বিএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় ডিগ্রিধারীদের সমান সুযোগ ও বিএসসি ডিগ্রি ছাড়া ‘প্রকৌশলী’ পদবি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা।






