শেয়ারবাজারে টানা পতন, চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন
প্রকাশিত হয়েছে : ০৯ নভেম্বর ২০২৫, ৮:৩৬:০৫ অপরাহ্ন
জালালাবাদ ডেস্ক : টানা দরপতনের মধ্যে পড়েছে দেশের শেয়ারবাজার। প্রতিদিন লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমছে। ফলে মূল্যসূচকও ধারাবাহিকভাবে কমছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (৯ নভেম্বর) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এবং অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচক কমেছে। এর মাধ্যমে টানা ছয় কার্যদিবস সূচকের পতন হলো। এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে চলে গেছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মেলে। কিন্তু লেনদেনের সময় ১০ মিনিট পার হতেই বাজারের চিত্র বদলে যায়। দাম বাড়ার তালিকা থেকে একের পর এক প্রতিষ্ঠান দাম কমার তালিকায় চলে আসে। আর লেনদেনের শেষদিকে ভালো-মন্দ সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের ঢালাও দরপতন হয়। এতে মূল্যসূচকের বড় পতন দিয়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে মাত্র ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ৩২৯টির। আর ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬৮ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে গত ৩ জুলাইয়ের পর ডিএসইর প্রধান সূচক সর্বনিম্ন অবস্থানে চলে আসলো।
অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ১১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯২৮ পয়েন্টে নেমে গেছে। সবকটি মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪০২ কোটি ২০ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪১৯ কোটি ৭৯ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ১৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৭৫ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৫৫ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪২টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০৯টির এবং ৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।





