ওসমানী মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ
প্রকাশিত হয়েছে : ১০ নভেম্বর ২০২৫, ৮:৪১:৪৪ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে শিক্ষার্থীরা। রোববার বিকেলে কলেজ ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাকে মারধরের পর পুলিশের হাতে তুলে দেন।
ঐ ছাত্রলীগ নেতার নাম সৌমিক সাজিদ (২৪)। সে ওসমানী মেডিকেল কলেজের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার উপর সরাসরি হামলায় জড়িত ছিল।সোমবার (১০ নভেম্বর) তাকে আগস্টে ছাত্র-জনতার উপর হামলার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন এসএমপির কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) রাসুল সামদানী আজাদ।
তিনি বলেন, সৌমিককে ওসমানী মেডিকেলের কিছু শিক্ষার্থী পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। এর আগে তাকে কিছু মারধর করা হয়। সোমবার একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, সৌমিক সাজিদ চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে ওসমানী মেডিকেল ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হুমকী ধামকি দিয়ে আসছিলেন। শুধু তাই নয়, সিলেট থেকে ঢাকায় গিয়েও তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলার বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত আপলোড করতেন। এসব অপরাধে চব্বিশের ৫ আগস্টের পর সৌমিক সাজিদকে ৫ বছরের জন্য বহিষ্কার করেছিলো কলেজ কর্তৃপক্ষ। এই বহিস্কারাদেশ পুণরায় বিবেচনা করে শাস্তি কমানোর জন্য তিনি কলেজ কর্তপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলেন। রোববার কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে ছিল। শাস্তি কমানোর আবেদনের বিষয়ে শুনানিতে অংশ নিতে কলেজ ক্যাম্পাসে আসেন সৌমিক। এসময় শিক্ষার্থীরা তাকে ক্যাম্পাসে দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। তারা তাকে ধরে কিছু মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
সৌমিক সাজিদ গাজিপুরের কাপাসিয়া থানার খুদাদিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। বর্তমানে সিলেট নগরীর কাজলশাহ এলাকার ই ব্লকের বসবাস করছিলেন।এর সত্যতা নিশ্চিত করে এসএমপির কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, মেডিকেল কর্তৃপক্ষের খবরের প্রেক্ষিতে পুলিশ গিয়ে ঐ ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাকে চব্বিশের আগস্টের হামলার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।





