প্রাথমিকে ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচির উদ্বোধন
প্রকাশিত হয়েছে : ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ৮:৩৬:২২ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক: দেশের ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে দেশের স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধনের মধ্যদিয়ে গুণগতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীরা দেশের সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে।
তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ ঘটে। পাশাপাশি তাদেরকে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করার মধ্য দিয়ে তাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের বিকাশ ঘটবে। ফলে শিক্ষার্থীরা স্কুলমুখী হবে, পড়াশোনায় মনোযোগী হবে। আমরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী করতে চাই। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় আগ্রহী হলে তারা দেশের সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে, সমাজের কল্যাণে অবদান রাখতে পারবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ডমিনিকো স্ক্যালপেলি, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আরিফ হোসেন, গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা আফরোজ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রীনা রানী সরকার এবং শিক্ষার্থী সিদরাতুল মুনহাতা ও আফরিন শরীফ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’-এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। অনুষ্ঠানে বলা হয়, ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদকালে দেশের নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে সপ্তাহের পাঁচ স্কুল কর্মদিবসে ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমী ফল, বনরুটি, ডিম এবং ইউএইচটি দুধ তথা পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ হাজার ৪৬৬ জন শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।





