এসএ পরিবহন ভ্যানে ডাকাতির ঘটনায় আরও এক যুবক আটক
প্রকাশিত হয়েছে : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ৯:০৮:৫৮ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটে এসএ পরিবহনের কাভার্ড ভ্যানে সংঘটিত পার্সেল ডাকাতির ঘটনায় আফজল হোসেন শিপু (৩০) নামে আরো এক যুববকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র্যাব-৯। সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে নগরীর জিতু মিয়ার পয়েন্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত শিপু সিলেটের ওসমানীনগর থানার দুলিয়ারবন্দ তাজপুর এলাকার মৃত তুরন মিয়ার ছেলে। এর আগে এই ঘটনায় আরো এক যুবককে আটক করে র্যাব-৯।
র্যাব সূত্র জানায়, গত ২৩ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে এসএ পরিবহনের নাইওরপুল শাখা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে একটি কাভার্ড ভ্যান রওনা দেয়। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভ্যানটি ওসমানীনগরের তাজপুর এলাকায় পৌঁছালে দুই মোটরসাইকেলে ছয়জন এবং একটি পিকআপে থাকা চারজনসহ মোট ১০ জন ডাকাত ব্যারিকেড দিয়ে গাড়িটি থামিয়ে দেয়। ভ্যান থামানোর পর ডাকাতরা দরজার গ্লাস ভাঙার চেষ্টা করে। সুপারভাইজার ও ড্রাইভার দরজা খুলে দিলে চারজন ডাকাত ভ্যানের ভেতরে উঠে ধারালো অস্ত্রের মুখে তাদের মারধর করে। এরপর তিনজন ডাকাত সুপারভাইজারকে জোরপূর্বক পিকআপে তুলে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। অন্যদিকে দুইজন ডাকাত ড্রাইভারকে ছুরি ঠেকিয়ে ভ্যানটি মঙ্গলচণ্ডী রোডের দিকে চালিয়ে নিতে বাধ্য করে। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নির্জন স্থানে ভ্যান থামিয়ে ১৫-১৬ জন ডাকাত ভ্যানের পেছনের তালা ভাঙে এবং চাবি চাইতে থাকে। সুপারভাইজার চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে দুই দফা মারধর করা হয় এবং মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে জোর করে চাবি নেওয়ার পর মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সুপারভাইজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এর সত্যতা নিশ্চিত করে র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত শিপুকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ওসমানীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় গত ১৪ অক্টোবর দেওয়ান হৃদয় (২৫) নামের আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।





