বড়লেখায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর বরখাস্ত
প্রকাশিত হয়েছে : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৬:৪৫:০২ অপরাহ্ন

বড়লেখা প্রতিনিধি: বড়লেখা উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর অনুপ চন্দ্র দাশকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ইউএনও’র নেতৃত্বে সিন্ডিকেট- রাজনগরে ভুয়া বিল ভাউচার, জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করে দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ’ শিরোনামে একটি সংবাদ ছাপা হয়।
রোববার অনুপ চন্দ্র দাশকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও ইউএনও গালিব চৌধুরী। বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে তিনি অনুমোদনহীন অনুপস্থিত রয়েছে।
তবে, সরকারি তহবিলের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি নজরেই আসতেই উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও ইউএনও গালিব চৌধুরী তার কাছ থেকে আত্মসাতের ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করে সংশ্লিষ্ট তহবিলে জমা দিয়েছেন। এরপর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তাকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন তিনি।
জানা গেছে, রাজনগর উপজেলা পরিষদ থেকে বদলি হয়ে ৬ আগস্ট বড়লেখা উপজেলা পরিষদে যোগদান করে সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর অনুপ চন্দ্র দাশ। যোগদানের তিন মাসের মধ্যেই ১১টি চেকে সোনালী ব্যাংক বড়লেখা শাখা থেকে উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। এর আগে রাজনগর উপজেলা পরিষদে কর্মকালিন রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা হাবিব শাপলা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদশা মিয়ার নেতৃত্বে অনুপ চন্দ্র দাশ চেক জালিয়াতির মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের সাধারণ তহবিলের ৮০ লাখ ৫১ হাজার ৪’শ ৫৫, রাজস্ব তহবিলের ৪০ লাখ এবং উন্নয়ন তহবিলের ৩১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
বড়লেখা ইউএনও ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক গালিব চৌধুরী জানান, চেক জালিয়াতির মাধ্যমে পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর অনুপ চন্দ্র দাশ কর্তৃক বড়লেখা উপজেলা পরিষদের তহবিলের ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের বিষয়টি নজরে আসতেই সুকৌশলে তিনি সমুদয় টাকা উদ্ধার করেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রোববার তাকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছেন।





