আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ
প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৪৬:১৪ অপরাহ্ন
জালালাবাদ ডেস্ক: বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।
এমতাবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল)-এর সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ও জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।
কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের আসন্ন আইপিএলে খেলা নিয়ে আলোচনা ছিল তুঙ্গে। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলগুলো তাকে বাদ দেওয়ার দাবিতে লাগাতার বিক্ষোভ করে আসছিল। যার রেশ ধরে শনিবার সকালে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনার কথা জানান। পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, মুস্তাফিজ আর তাদের স্কোয়াডে নেই।
তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত /১
স্টাফ রিপোর্টার: গেল কয়েকবছর ধরে পৌষ মাসে শীতের তীব্রতা খুব একটা দেখা যাচ্ছিলো না। কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম দেখা গেল। পৌষের মাঝামাঝিতে এসেই শীতের তীব্রতা জেঁকে বসেছে। তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একসময় পৌষের শীতের ভয়াবহ ঠান্ডার একটি সাধারণ উপমা ছিল “পৌষের শীতে মহিষের শিং নড়ে”। এবার সেই নস্টালজিক মহিষের শিং নড়া শীত দেখতে পাচ্ছেন সিলেটবাসী। চলতি মৌসুমে ৯ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমেছিল তাপমাত্রা। সোমবার সিলেটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে পৌষের এই শীত যতই নস্টালজিক হোক হঠাৎ শীতের তীব্রতায় জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। শুত্রবার পর্যন্ত পূর্বাভাসে আকাশ মেঘলা থাকার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আকাশ মেঘলা থাকার কারণে দেখা মিলছে না সূর্যের। ফলে তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির কোঠায় থাকলেও অনুভূতি ৯ ডিগ্রির মতো দেখা গেছে।
সোমবার সারাদিনে একবারের জন্যও সূর্যের দেখা মিলেনি। ফলে অনেক বেশি শীত অনুভূত হয়েছে। রাস্তাঘাটে লোকজনের সংখ্যা ছিল অনেক কম। শ্রমজীবীদের দুর্ভোগের কোনো সীমা ছিল না। অনেক জায়গায় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হলেও তা অনেকটাই অপ্রতুল এবং বেশিরভাগ ছিল নিম্নমানের। অনেকে কম্বলের চেয়ে শীতবস্ত্রের চাহিদার কথা জানিয়েছেন। অনেক নিম্নবিত্ত বলেন কম্বল দিয়ে ঘরে থাকা যায় কিন্তু আমাদের কাজের জন্য বাইরে যেতে হয়। কম্বল নিয়ে তো বাইরে যাওয়া যায় না। তাই কম্বলের চেয়ে শীতের ভারী কাপড় দিয়ে ভালো।





