মা ও শিশু আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার আসামী র্যাবের জালে
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:১৩:০২ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : মা ও শিশু সন্তান আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কদমতলি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।আটককৃতের নাম কুতুব উদ্দিন (৩১)। সে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি থানার উত্তর বড়ডহর গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে র্যাব-৯ এর গণমাধ্যম শাখা থেকে এই তথ্য জানানো হয়। এরপর সোমবার জুড়ি থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
র্যাব জানায়, ভিকটিম মরিয়ম আক্তার (২৪) মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী থানাধীন জাঙ্গালিয়া এলাকার বাসিন্দা। ২০২০ সালে ভিকটিমের সাথে বিবাদী কুতুব উদ্দিন (৩১) এর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সাংসারিক বিভিন্ন কাজকর্ম নিয়ে মরিয়ম ও কুতুবের মধ্যে ঝগড়া হতো। বিভিন্ন সময় মরিয়ম পিতার বাড়িতে যেতে চাইলে কুতুব তাকে তার সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য বলে। গত ২০২৩ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মরিয়মের মা মারা গেলেও কুতুব তাকে তার মায়ের লাশ দেখতে যেতে দেয়নি। ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর রাতে মরিয়ম ও কুতুবের মধ্যে ঝগড়া হলে মরিয়ম আত্মহত্যা করে মরে যাওয়ার জন্য বলে দোকানে চলে যায়। ঐদিনই সন্ধ্যায় মরিয়মের পিতা এলাকার মেম্বার সায়েদুর রহমান মোবাইল ফোনে জানান যে মরিয়ম ও তার ছেলে আয়ান মোহাম্মদ তোহাসহ (৪) সহ গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছে। পরবর্তীতে ভিকটিমের পিতা স্থানীয় পুলিশ ও মেম্বার সায়েদুর রহমানকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে যে রান্নাঘরের আড়কাটের সাথে পৃথক দুটি ওড়না দিয়ে তারা ঝুলে আছে।
ভিকটিমের পিতার ধারণা পারিবারিক কলহের জেরে এবং ভিকটিমকে তার বাচ্চাসহ প্রায় সময় মরে যাওয়ার জন্য প্ররোচনা দেওয়ায় তার মেয়ে ও নাতি ফাঁসিতে ঝুলে মারা গেছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা মৌলভীবাজারের জুড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে আসামীকে গ্রেফতার তৎপরতা শুরু করে র্যাব।





