জুড়ীতে ৪৪ ভোট কেন্দ্রের অর্ধেক কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ
প্রকাশিত হয়েছে : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৩৩:১৪ অপরাহ্ন
বড়লেখা প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) আসনের জুড়ী উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৪৪টি। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এরমধ্যে ১০টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁিকপূর্ণ ও ১১টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁিকপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা, আওয়ামী লীগ দলীয়/সমর্থিত জনপ্রতিনিধি (পলাতক), বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষসারির নেতাদের এবং ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী এলাকার ভোট কেন্দ্রগুলোতে সরকার বিরোধী চক্রের নাশকতা, দ্বিমুখি ও ত্রিমুখি সহিংসতার আশংকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।
সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁিকপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এগুলোর প্রত্যেকটিতে সাধারণ ভোটকেন্দ্রের চাইতে বেশি থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স, সসস্ত্র আনছার ও গ্রাম পুলিশ এবং বিশেষ নজরদারি। এছাড়াও স্থাপন করা হবে সিসি ক্যামেরা।
বিভিন্ন সূত্রের দেওয়া তথ্যানুযায়ী জানা গেছে, জুড়ী উপজেলার অধিক ঝুঁিকপুর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলো হচ্ছে জায়ফরনগর উচ্চ বিদ্যালয়, ভোগতেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চম্পকলতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাতিলাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়, লাঠিছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুচাই বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজকী চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাঘনা বটুলী উচ্চ বিদ্যালয়, ফুলতলা চা বাগান বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কৃষ্ণনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সহকারি রিটার্নিং অফিসার ও জুড়ী ইউএনও মারুফ দস্তেগীর জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে ভোট কেন্দ্রগুলোকে তিন ক্যাটাগরিতে চিহ্নিত করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে থাকবে সিসি ক্যামেরা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক এসব ভোট কেন্দ্রের প্রত্যেকটির নিরাপত্তায় থাকবে ৩জন অস্ত্রধারী পুলিশ, ২জন সসস্ত্র আনছার, ১০জন লাঠিধারী আনছার ও প্রয়োজন সংখ্যক গ্রাম পুলিশ। বিশেষ নজরদারী থাকবে পুলিশ ফোর্স ও অন্যান্য বাহিনীর।





