পাথর লুট ঠেকাতে গিয়ে আহত
প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৩৪:২৩ অপরাহ্ন

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি : দেশের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাদাপাথর রোপওয়ে (বাংকার) ও ধলাই নদী থেকে পাথর লুটপাট ঠেকাতে ১৩ জন সেচ্ছাসেবী নিয়োগ দিয়েছে সিলেটে জেলা প্রশাসক। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে তারা রাত ও দিন সেখানে দায়িত্ব পালন করছে। পাথর লুটপাটকারীদের হামলায় শনিবার বিকালে রাসেল মিয়া নামে এক সেচ্ছাসেবী গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি ওসমানী হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনার পর পুলিশ ও সেচ্ছাসেবীদের তাৎক্ষণিক অভিযানে ২ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। পরে রোববার রাসেলের পিতা আলী হোসেন বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান ধলাই নদীতে পাথর লুটপাটের সাথে জড়িতদের দেখা মাত্রই গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে পাথর লুটপাটের এরিয়ায় কেউ গেলেই তাকে গ্রেফতার করা হবে।
এদিকে, এই ঘটনায় সোচ্চার হয়েছে প্রশাসন ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, ফটোগ্রাফার এবং নৌকার মাঝিরা। সেচ্ছাসেবী রাসেলের উপর হামলার ঘটনায় রোববার বেলা ১১টায় পর্যটন ঘাটে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্রটি দেশবিদেশ সুপরিচিত। কিছু দুষ্কৃতকারীদের জন্য এর সুনাম নষ্ট হতে দেওয়া হবে না। দুষ্কৃতকারী যত বড়ই হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। এখন থেকে আমাদের সার্বক্ষণিক অভিযান চলমান থাকবে যতক্ষণ না দুষ্কৃতকারীদের ধরা শেষ হবে। হামলার সাথে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের ধরতে আমরা আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করবো।
কোম্পানীগঞ্জ ফটোগ্রাফি সোসাইটির সভাপতি আনোয়ার সুমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কোম্পানীগঞ্জ কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, কোম্পানীগঞ্জ ফটোগ্রাফি ক্লাবের সভাপতি আকবর রেদওয়ান মনা, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমদ, নৌকা মাঝি সমিতির সভাপতি আইনুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মইন উদ্দিন, ফটোগ্রাফার মিন্নত মিয়া ও আফজল হোসেন প্রমুখ।





