লালাখালে পানিতে ডুবে শাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
প্রকাশিত হয়েছে : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:০০:৫২ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল জিরো পয়েন্টে পানিতে ডুবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মো. মুসআব আমীন নামের একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে লালাখাল জিরো পয়েন্ট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষার্থী গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সকিপুর গ্রামের মো. শহিদুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও সহপাঠী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার জৈন্তাপুরের লালাখালের সাহেবমারা ড্রয়ার নামক এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যান শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী মো. মুসআব আমীন। সেখানে গিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে পানিতে নামলে চোরাবালিতে তলিয়ে যান মুসআব আমীন। সহপাঠীরা দ্রুত পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায় জৈন্তাপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স টিমের ডুবুরি দল। তিন ঘণ্টা পর বিকাল ৪টার দিকে নদীর তলদেশ থেকে মুসআব আমীনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ডুবুরি দল জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি শাকসু নির্বাচনে সৈয়দ মুজতবা আলী হল সংসদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের সদস্য পদে প্রার্থী ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে সহপাঠী, বন্ধু ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তার সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া সমাজকর্ম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসিফুর রহমান বলেন, আমরা কয়েকজন সিলেটের লালাখাল ঘুরতে গিয়েছিলাম। সবাই মিলে বেলা ১টার দিকে সেখানকার জিরো পয়েন্ট এলাকায় নদীতে গোসল করতে নামি। সবার গোসল শেষ হলেও মুসআব শেষ আর দু-একটা ডুব দিয়ে উঠবে বলেছিল। কিন্তু যখন ডুবের পর সে আর উঠতে ছিল না, তখন আমরা সবাই খোঁজাখুজি শুরু করি। পরে পুলিশকে খবর দেই। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল এসে তার দেহ উদ্ধার করে।
জৈন্তাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, খবর পেয়ে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ ডুবুরি দল নিয়ে যায়। পরে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে পানি থেকে ওই ছাত্রের দেহ উদ্ধার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান বলেন, আমরা ছাত্রের পরিবারকে খবর দিয়েছি। তারা আসতেছেন। ময়নাতদন্ত না করার জন্য হয়তো পরিবারের সদস্যরা সিদ্ধান্ত নিবেন।





