৭ আসনের ব্যালটে থাকছে ‘দাঁড়িপাল্লা’
প্রকাশিত হয়েছে : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:১০:৪৯ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : প্রতীক বরাদ্দের তিন দিন পর সাতটি আসনের ব্যালট পেপারে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না রাখতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে চিঠি দিয়েছে দলটি। এসব আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমঝোতার প্রার্থী আছেন।
তবে জামায়াতের এই আবেদনগুলো নাকচ করে ইসি বলেছে, প্রতীক বরাদ্দের পর প্রতীক প্রত্যাহারের আর সুযোগ নেই। কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, এর মানে ওই সাতটি আসনের ব্যালট পেপারে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক থাকবে এবং জামায়াতের প্রার্থীরা বৈধ হিসেবে গণ্য হবেন। তারা আরও বলেন, ওই সাত আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমঝোতার প্রার্থীদের স্ব স্ব প্রতীকেই নির্বাচন করতে হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন ছিল গত ২০ জানুয়ারি। এর পরদিন গত ২১ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য প্রতীক বরাদ্দ করে। পরে গত ২৪ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে দেওয়া এক চিঠিতে লেখেন, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমঝোতার পরিপ্রেক্ষিতে নরসিংদী-২ আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী গোলাম সরোয়ারকে ও চট্টগ্রাম-৮ আসনটি এনসিপির প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফকে, ভোলা-২ আসনটি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মনোনীত প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরীকে, নরসিংদী-৩ আসনটি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনটি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. শাহজাহানকে, সুনামগঞ্জ-১ আসনটি নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থী মোজাম্মেল হক তালুকদারকে এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনটি এলডিপির প্রার্থী এম ইয়াকুব আলীকে ছেড়ে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ারের কাছে এক চিঠি দিয়ে এই সাত আসনের ব্যালট পেপারে জামায়াতের প্রার্থীর জন্য দাঁড়িপাল্লা প্রতীক না রাখার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে। ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতীক প্রত্যাহারের সুযোগ আর নেই।
নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রতীক বরাদ্দের নির্ধারিত তারিখের পরে নতুন করে প্রতীক প্রত্যাহারও করা যাবে না, বরাদ্দও করা যাবে না। তারা (জামায়াত) এসেছিলেন। আমরা বলেছি, প্রতীক বরাদ্দের শেষ তারিখের পর নির্বাচন কমিশনের প্রতীক প্রত্যাহারের আর এখতিয়ার নেই। আদালত থেকে যদি আদেশ আসে, সেটা ভিন্ন বিষয়।





