খন্দকার মুক্তাদিরের ইশতেহার ঘোষণা : আধুনিক, বাসযোগ্য ও স্মার্ট নগরী গড়ার প্রত্যয়
প্রকাশিত হয়েছে : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৫৯:২২ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট-১ (সদর ও মহানগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। বুধবার বিকেল ৩টায় নগরীর শাহী ঈদগাহস্থ তার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় মিতা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ইশতেহার তুলে ধরেন।
ঘোষিত ইশতেহারে ১১টি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সিলেটকে আইটি ও ইনোভেশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুক্তাদির জানান, আইটি প্রতিষ্ঠানের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়ায় বিশেষায়িত ভবন নির্মাণ এবং উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া শহরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে তরুণ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সরকারিভাবে কো-ওয়ার্কিং স্পেস স্থাপন এবং স্টার্টআপগুলোর জন্য ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বেকার সমস্যা সমাধানে ওয়ান স্টপ ক্যারিয়ার সেন্টার স্থাপনের কথাও বলেন তিনি।
‘কর্মসংস্থান সিলেট উন্নয়ন, রূপান্তর’ শীর্ষক এই ইশতেহারে খন্দকার মুক্তাদির সিলেটের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানবিক উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। তিনি সিলেটকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ঘোষিত ইশতেহারে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান, আইটি খাতের বৈপ্লবিক বিকাশ এবং পর্যটন শিল্পের আধুনিকায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ইশতেহারে সিলেটের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, পরিবহন, পর্যটন ও ব্যবসাসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধান ও উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে- সিলেটে বিশ্বমানের আইটি পার্ক স্থাপন, বেকার তরুণদের জন্য বিশেষ দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, ক্ষুদ্র ঋণের সহজলভ্যতা এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ফান্ড গঠন।
এছাড়া নগরীর উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সিলেটের অর্থনীতির প্রাণশক্তি প্রবাসীদের বিনিয়োগে বিশেষ সুবিধা প্রদানের অঙ্গীকার করেন তিনি। সিলেটের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ইশতেহারে জোর দিয়ে বলা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “সিলেটের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আমি বদ্ধপরিকর। আমি নির্বাচিত হলে নিরাপদ, উন্নত ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলব।” এ সময় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।




