ভোটের মাঠে ১ হাজার ৫১ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:২৯:২৪ অপরাহ্ন
জালালাবাদ ডেস্ক : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠে নেমেছেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তারা ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব শুরু করছেন আরও সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে আছে, রোববার থেকে আরও সদস্য যুক্ত হয়েছেন এবং তারা ভোটের আগে ও পরে ৭ দিন দায়িত্ব পালন করবে।
ইসি মাছউদ জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকল বাহিনী জানিয়েছে যে ভোটের মাঠের অবস্থা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভালো এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক। এছাড়া, সব ব্যালট বাক্স জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো গ্রহণ করছেন। এখন সবাই ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জারি করা এক পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচনের সময় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার-ভিডিপি এবং কোস্ট গার্ড মোতায়েন থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় ইন-দ্য-এইড-টু-সিভিল পাওয়ারের আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।
সূত্র জানায়, এবার বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমানবাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, র্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ এবং চৌকিদার-দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড মোতায়েন থাকবে। সকল বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে রিপোর্ট দেবে এবং তাদের নির্দেশনা অনুসারে দায়িত্ব পালন করবে।
নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে যে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা ভোটারদের অভিযোগ ও অনিয়ম তৎক্ষণাৎ সমাধান করবে এবং নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে। এভাবে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বিত প্রচেষ্টা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে নিরাপদ, সুষ্ঠু এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।





