জুড়ি ও রাজনগরে জামায়াত নেতা কর্মীদের উপর হামলায় জেলা জামায়াতের নিন্দা
প্রকাশিত হয়েছে : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৩৬:০০ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজার জেলা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহেদ আলী ও জেলা সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী এক যুক্ত বিবৃতিতে জুড়ি উপজেলায় জামায়াত নেতাদের উপর অত্যন্ত পরিকল্পিত ঠান্ডা মাথায় হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে গুরুতর আহত করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, জুড়ি উপজেলায় বিএনপির প্রার্থী ও উপজেলা সেক্রেটারির উপস্থিতিতে এই হামলা ঘটেছে শুনে আমরা বিস্মিত হয়েছি।
বুধবার ভোরে তাৎক্ষণিক মামলা দেয়া হয়েছে কিন্ত ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও হামলাকারীদের গ্রেফতার করা হয়নি। জেলা নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সন্ত্রাস করে ভয় ভীতি দেখানো যায় কিন্তু মানুষের মন জয় করা যায় না। ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাদের রায় ব্যালটের মাধ্যমে প্রকাশ করবে।
বিভিন্ন মিডিয়ায় অপপ্রচারের জবাবে জেলা নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট তার নির্বাচনী এলাকার যে কোনো স্থানে যে কোনো সময় যাতায়াত করা সম্পূর্ণভাবে বৈধ। এ ক্ষেত্রে তাকে বাধা দেওয়ার কোনো আইনগত অধিকার কারও নেই—হামলা তো দূরের কথা, এ কাজে সরাসরি বাধা দেয়া ফৌজদারি অপরাধ।
আনুষ্ঠানিক প্রচারণার সময়সীমা শেষ হলেও ব্যক্তিগত পর্যায়ের প্রচারণা আইনসম্মত। সব রাজনৈতিক দলের কর্মীরাই এই ধারার প্রচারণা চালিয়ে থাকেন, যা নির্বাচনী আইন ও প্রচলিত বিধির মধ্যেই পরে। কিন্তু কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, জোরপূর্বক বাধা সৃষ্টি করে বা হামলায় জড়ায়—তাহলে তা হবে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করা এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা জেলা প্রশাসনকে এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
জামায়াত নেতৃবৃন্দ, অবিলম্বে সঠিক তদন্ত করে এ ঘটনার সাথে প্রশাসনের অতি উৎসাহী কারো যোগসাজস থাকলে তদন্ত করার এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের আহবান জানান।





