মৌলভীবাজার-১: প্রথমবার সংসদ সদস্য পেল জুড়ী উপজেলাবাসী
প্রকাশিত হয়েছে : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:৫৯:৫১ অপরাহ্ন

বড়লেখা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার-১ আসনটি দুইটি উপজেলা বড়লেখা ও জুড়ী নিয়ে গঠিত। স্বাধীনতা পরবর্তী যতটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে জুড়ী উপজেলা থেকে দুইজন রাজনীতিবিদ একাধিকবার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও কেউই জয়ের মুখ দেখেননি। প্রায় ৫৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিপুল ভোটের ব্যবধানে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় দল মতনির্বিশেষে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাসছে জুড়ী উপজেলাবাসী।
জানা গেছে, ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ আসন থেকে প্রথমবার বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে জাতীয় পার্টির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন জুড়ী উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা তৎকালিন জেলা বিএনপির সহসভাপতি আছাদ উদ্দিন আহমদ বটল। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা সাবেক জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। কিন্তু পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের তৎকালীন জাতীয় সংসদের হুইপ বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা শাহাব উদ্দিনের কাছে তিনি পরাজিত হন। কিন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করে বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের বাসিন্দা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে জয়ের মালা ছিনিয়ে নেন জুড়ী উপজেলার বাসিন্দা বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু।
স্বাধীনতা পরবর্তী প্রায় ৫৫ বছরের ইতিহাসে জুড়ী উপজেলা থেকে একজন নেতা জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় দলমত নির্বিশেষে ওই উপজেলার জনসাধারণের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে একে অপরকে মিষ্টিমূখ করিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন।




