বিয়ানীবাজারে নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ সেলিমের
প্রকাশিত হয়েছে : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:০৬:০১ অপরাহ্ন
এমরান বললেন প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি: সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬ বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জে নির্বাচন পরবর্তী বিয়ানীবাজার নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন দুই প্রার্থী। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বিএনপি ও তালামীযের কর্মীদের দ্বারা জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা ও হুমকির অভিযোগ তুলেছেন। এ ব্যাপারে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে দাবী জানিয়েছেন বিএনপি থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
শনিবার রাতে বিয়ানীবাজার উপজেলা জামায়াতের অফিসে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে জামায়াত নেতাকর্মীদের উপর অন্তত ছয়টি হামলার অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, একটি দলের কিছু সংখ্যক অধৈর্য্যশীল কর্মীরা এ কান্ড ঘটিয়েছে, অনতিবিলম্বে প্রশাসন ও বিএনপির হাই কমান্ড এ ব্যাপারে শক্ত ব্যবস্থা না নেয় তাহলে বিরুপ প্রতিক্রিয়া পড়বে সমাজে। এসময় সেলিম উদ্দিন সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ শান্তির এলাকা, এখানের পরিবেশকে রাজনৈতিক কারণে অশান্ত না করে সংযমের মাধ্যমে কন্ট্রোল করতে হবে।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, একটি দলের অরাজকতার সুযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও বেরিয়ে মিছিল দিচ্ছে, তাই এখনই এ ব্যাপারে ওই রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ব্যবস্থা নিতে হবে। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপারা ইউনিয়নের ইনাম এলাকার নাইম ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তার মা ফরিদা বেগমের উপরে হামলা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের দিগলবাক গ্রামের মোস্তফা উদ্দিনের বাড়িতে হামলা, লাউতা ইউনিয়নের দক্ষিন পাহাড়িয়াবহর গ্রামের আইয়ুব ও শাহেদের বাড়িতে বিজয় মিছিল থেকে হামলার অভিযোগ করা হয়।
এদিকে, রোববার বিকালে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন, আমরা বৈষম্য চাইনা, বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করবে সেটা আমি বরদাশত করবো না। আমার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী সেলিম উদ্দিন ভাইয়ের অভিযোগ শুনে আমরা প্রশাসনকে বলেছি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। যতটুকু খবর নিয়ে জেনেছি, পূর্ব বিরোধের জেরে দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবুও আমরা কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ি, রেশারেশি চাইনা, সবাইকে নিয়েই বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জকে গড়তে চাই।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট, নদী ভাঙ্গন ও শিক্ষাকে প্রায়োরিটি দিয়ে কাজ করতে চাই। ইতিমধ্যে আমি কাজ শুরু করেছি, প্রথমেই মানুষের মৌলিক চাহিদা নিয়ে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নিয়ে কাজ করবো। এসময় তিনি সাংবাদিকদের জাতির বিবেক উল্লেখ করে আরও বলেন, আমার ভুল হলে আপনারা ধরিয়ে দিবেন, আমার নির্বাচনী এলাকার সমস্যাগুলো তুলে ধরবেন, প্রয়োজনে আমাকে পরামর্শ দিবেন, আমি আপনাদের মতামতকে গুরুত্ব দিবো।





