আওয়ামী লীগ আমলের ১ হাজার রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার
প্রকাশিত হয়েছে : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৫৩:০২ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে হওয়া রাজনৈতিক মামলাগুলোর মধ্যে এক হাজার ছয়টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দিয়েছে নবগঠিত বিএনপি সরকার। গতকাল রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে দলটি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক এক হাজার ছয়টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই সময়কার ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশের তথ্য ৮ ফেব্রুয়ারি জানায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এসব মামলার বেশির ভাগই করা হয়েছিল বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব মামলা প্রত্যাহারের ফলে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ কথিত ‘হয়রানিমূলক’ মামলা থেকে অব্যাহতি পাচ্ছেন। প্রায় ২৪ হাজার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারপ্রায় ২৪ হাজার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে হওয়া মামলাগুলো প্রত্যাহারের লক্ষ্যে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার দুটি কমিটি গঠন করে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা কমিটি এবং আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নেতৃত্বে আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়।
রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ৭১৮৪ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে আইন মন্ত্রণালয়রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ৭১৮৪ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে আইন মন্ত্রণালয়। পরে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়। ভুক্তভোগী দলগুলোর আবেদনের ভিত্তিতে আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি ৩৯টি সভার মাধ্যমে আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।





