স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তোড়জোড়, প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্ত সংসদে
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৪:৩১ অপরাহ্ন
জালালাবাদ ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই আলোচনা চলছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে। এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি দলীয় প্রতীকে হবে না নির্দলীয় প্রতীকে হবে এ নিয়ে দেশব্যাপী চলছে ব্যাপক আলোচনা।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা মেয়রদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব শীর্ষ পদে তখন বেশির ভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতারা।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তাদের অধিকাংশই আত্মগোপনে চলে যান। পরে সরকার শীর্ষ পদে প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় এখনো প্রশাসকেরা দায়িত্ব পালন করছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেবে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কীভাবে হবে তা নিয়ে খোলাসা করে কিছু বলেননি তিনি।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে ভোট হবে কি না তা এখন নির্ভর করছে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সিদ্ধান্তের ওপর। যেহেতু বর্তমান সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে, তাই দলীয় প্রতীকের বিধান থাকা বা না থাকার বিষয়টি মূলত দলটির ওপরই নির্ভর করছে।
তিনি বলেন, আমার জানামতে অধ্যাদেশের মাধ্যমে মেয়র প্রার্থী পদে দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন সংসদ বসবে। সংসদ বসার পর এই বিল বা অধ্যাদেশ যদি অনুমোদন হয়, তবে সেভাবেই নির্বাচন হবে।
এদিকে, ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লিখেছেন, সিটি নির্বাচনসহ যেকোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না। উপদেষ্টা থাকাকালীন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা অনুযায়ী দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা হয়েছে। সুতরাং দলীয় প্রতীক ও মনোনয়ন ছাড়াই অংশগ্রহণ করা যাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে।
তিনি লেখেন, এ বিষয়ে আজকে ইসির বক্তব্য বিভ্রান্তিকর। রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ এবং মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার ভিত্তিতেই এই সংস্কার বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ইসিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংক্রান্ত আইনগুলো ভালোভাবে অধ্যয়ন পূর্বক মন্তব্য করার অনুরোধ থাকবে।




