জৈন্তায় নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারের অভিযোগ
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:০৩:০৫ অপরাহ্ন
বিশেষ প্রতিনিধি:
সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের মেদল হাওরের কুশি নদী, খেফা নদী ও পাবি জুড়ি নদীর উৎস মুখে বাঁধ দিয়ে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি অবৈধভাবে উন্মুক্ত জলমহাল থেকে জোরপূর্বক অবাধে মাছ শিকার করছে। এ বাঁধের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে, পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে মাছের অভয়ারণ্য। ফলে ব্যাহত হচ্ছে মাছের উৎপাদন।
সরেজমিনে দেখা যায়, জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর সিলেট তামাবিল মহাসড়ক থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে তিনটি নদীর উৎস মুখে এক্সেভেটর দিয়ে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এ বাঁধের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে। পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে মাছের অভয়ারণ্য।
নদী শুকিয়ে মাছ ধরায় মাছের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গতবছর ও দুর্বৃত্তরা এরকম বাঁধ দিয়ে মাছ ধরে ছিল। পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় নদীর বাঁধ অপসারণ করা হয়। কিন্তু এবছর মাছ ধরার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ নিরব ভুমিকা পালন করছে। বিষয়টি জৈন্তাপুর উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারের ফলে কৃষকের চলাচলের একমাত্র নদী পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
নিয়ম অনুসারে, প্রবহমান কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের বাঁধ, স্থায়ী অবকাঠামো বা অন্য কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। জলাশয়ে পানির প্রবাহ ও মাছের চলাচল বাঁধ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করলে শাস্তির বিধানও রয়েছে।
নদীর উৎস মুখে বাধ দেওয়ার ফলে নিম্ন অঞ্চল শুকিয়ে গেছে। যার ফলে নিম্নাঞ্চলের কৃষিজীবি মানুষ, গবাদিপশু, হাঁস মুরগী পশুপাখির সমস্যা হচ্ছে। দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টির সমাধানে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।





