দেশের ৯৭৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভয়াবহ দুর্নীতি
প্রকাশিত হয়েছে : ০১ মার্চ ২০২৬, ৮:১৫:৩৮ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের ৯৭৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও অনিয়মের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে। গতকাল রোববার (১ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক এম এম সহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, জাল বা ভুয়া সনদে নিয়োগ, অগ্রহণযোগ্য সনদ, অবৈধ নিয়োগ, অর্থ আত্মসাৎ এবং ভ্যাট ও আয়করে ফাঁকি দিয়ে অনিয়ম করেছে দেশের ৯৭৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভয়াবহ দুর্নীতিগ্রস্থ এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকায় সিলেট বিভাগেরও ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর। ৬ মাস ব্যাপী পরিচালিত এই পরিদর্শনে সারাদেশের মোট ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুর্নীতির প্রমাণ পায় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর।
অনিয়ম করা সিলেট বিভাগের ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার তেতইগাঁও রশিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, কুলাউড়া উপজেলার কুলাউড়া সরকারি কলেজ, লক্ষ্মীপুর মিশন উচ্চ বিদ্যালয়, বড়লেখার কেছরীগুল উচ্চ বিদ্যালয়, তালিমপুর বাহারপুর উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রীমঙ্গলের দি বাডস রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার জামেয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া দাখিল মাদ্রাসা, হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার জে ডি এম জগদানন্দ দাস মোহন্ত উচ্চ বিদ্যালয় ও হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কবির কলেজিয়েট একাডেমি। এই ৯ প্রতিষ্ঠানে ভয়াবহ অনিয়মের প্রমাণ পান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলোর অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড, জেলা শিক্ষা অফিস এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ই-মেইলে পাঠানো হয়েছে।
যদি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রকাশিত তালিকায় থাকা সত্ত্বেও প্রতিবেদন ই-মেইলে না পেয়ে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে ডি-নথি সিস্টেম থেকে তা সংগ্রহ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠান প্রধান লেটারহেডে আবেদন করে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ই-মেইলে পাঠালে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন সরবরাহ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।





