যানজটে নাকাল নগরবাসী
প্রকাশিত হয়েছে : ০৭ মার্চ ২০২৬, ৮:১৮:০৫ অপরাহ্ন

ছবি: জয়নাল আবেদিন আজাদ
স্টাফ রিপোর্টার: পনেরো রোজার পর থেকে সিলেটে জমে উঠছে ঈদবাজার। বিশেষকরে শনিবার থেকে নগরীর প্রতিটি বিপনীবিতান ও দোকানপাটে ক্রেতাদের ভিড় ছিল বেশি। একসাথে অনেক লোক বাজার করতে রাস্তায় নামায় সবগুলো সড়কে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। বিকেলে থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এই যানজট দেখা গেছে। সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ চিত্র থাকে জিন্দাবাজার থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তায়। মাঝখানে কেবল ইফতারের সময় কিছুটা রাস্তা ফাঁকা হয়, এরপর আবারও শুরু হয় লোকজনের পদচারণা ও যানবাহনের চলাচল।
সরেজমিন দেখা গেছে এসব যানজটের মূল কারণ যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও ভাসমান হকারদের অবস্থান। প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এসব রাস্তায় ছোটো ছোটো গাড়ি নিয়ে হকাররা বসে গিয়েছেন। আগের মতো আয়োজন করে না বসলেও প্রতিটি ফুটপাতে হকাররা পলিথিন বা প্লাস্টিকের বস্তা বিছিয়ে পণ্য নিয়ে বসেছেন। এতে একদিকে যেমন ফুটপাতে পথচারী চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে, অপরদিকে এসব পণ্য দেখতে ক্রেতার জড়ো হওয়ার কারণে যানজটও তৈরি হচ্ছে।
এরবাইরে জিন্দাবাজার গার্লস স্কুলের সামনে থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও প্রাইভেট কার পার্কির করে রাখতে দেখা যায়। এসব পার্কিংয়ের কারণে উভয়দিকে রাস্তার অর্ধেক দখলে চলে যাচ্ছে। সবচেয় ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হয় রাতে। একদিক প্লাজা-শুকরিয়া মার্কেট অপরদিকে লন্ডন ম্যানসন মিতালী ম্যানসনের সামনের রাস্তা এই অংশে পার্কিং ও ফুটপাত দখলে চলে যাওয়ায় বিকেলে আসরের পর এবং রাত আটটার পর এই এলাকায় তৈরি হয় দীর্ঘ যানজট। এই সময়ে এই এলাকা দিয়ে হেঁটে পার হওয়াও দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়।
শনিবার দুপুরের পর থেকে নগরীর জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানাা, লামাবাজার, রিকাবীবাজার, তালতলা, জামতলা, বারুতখানা, জেল রোড, নাইওরপুল, শিবগঞ্জ, মিরাবাজার, সুবহানীঘাট, উপশহর, কদমতলী- ইত্যাদি এলাকায় তীব্র যানজট লক্ষ্য দেখা গেছে।





