ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত সিলেট
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ মার্চ ২০২৬, ৮:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : ঈদ-উল-ফিতরের দীর্ঘ এক সপ্তাহের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত পর্যটন অধ্যুষিত সিলেট অঞ্চলের হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজগুলো। পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে সিলেট ও মৌলভীবাজারের ফাইভ স্টার হোটেল ও রিসোর্টগুলো অগ্রিম বুকিং দিয়ে রেখেছেন পর্যটকরা। পাহাড়, সবুজ প্রকৃতি ও স্বচ্ছ পানির মেলবন্ধন দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা এবারও ছুটে আসবেন সিলেটে, এমনটাই আশা পর্যটন সংশ্লিষ্টদের।
জানা গেছে, ভ্রমণপিপাসুদের কাছে বরাবরই পছন্দের শীর্ষে সিলেটের জাফলং, সাদা পাথর, বিছনাকান্দি, রাতারগুল, মাধবকুন্ড, শ্রীমঙ্গল ও তাহিরপুরের শিমুলবাগান। পাহাড়, সবুজ প্রকৃতি ও স্বচ্ছ পানির মেলবন্ধন এই অঞ্চলকে পর্যটকদের কাছে করেছে অনন্য আকর্ষণীয়। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ঈদে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ৮ থেকে ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটতে পারে। যা এ অঞ্চলের পর্যটন অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে। দীর্ঘদিন স্থবির থাকা পর্যটন খাত আবারও চাঙা হয়ে উঠবে।
জানা গেছে, এবারের ঈদে ১৬ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি পেয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। দীর্ঘ ছুটি পাওয়ায় পরিবারের সঙ্গে একান্ত সময় কাটাতে ছুটে যাবেন প্রকৃতির সান্নিধ্যে। এ কারণে সিলেট, মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের হোটেল-রিসোর্ট মালিক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটন গাইডরা জানান, ঈদ উপলক্ষে ইতোমধ্যেই সিলেটের অধিকাংশ হোটেল ও রিসোর্টে বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। সিলেট, মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের ফাইভস্টার হোটল ও রিসোর্টের বুকিং শতভাগ শেষ হয়েছে। এই দীর্ঘ মন্দা কাটিয়ে পর্যটন খাত আবারও ঘুরে দাঁড়াবে। সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ জালালাবাদকে বলেন, এই ঈদে পর্যটন খাত চাঙ্গা হয়ে উঠবে। এবার সিলেটে ব্যাপক পর্যটক সমাগম হবে। ইতোমধ্যেূ পর্যটন ব্যবসায়ীরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
সিলেট হোটেল অ্যান্ড গেস্ট হাউস ওনার্স গ্রুপের সাবেক সভাপতি সুমাত নূরী চৌধুরী জুয়েল বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের ব্যাপক আগমন ঘটবে এবং এতে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ ইতিমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উৎপল কুমার চৌধুরী জানান, পর্যটন স্পটগুলোতে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি থাকবে। অন্যদিকে, ঈদে পর্যটকদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের কথাও জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।





