ডলারের অবস্থান ৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:৫৮:১১ অপরাহ্ন
জালালাবাদ রিপোর্ট : গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে মার্কিন ডলারের মান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ডলারের দরপতন নিয়ে উদ্বেগ উড়িয়ে দিলেও আন্তর্জাতিক বাজারে মুদ্রাটির মান কমায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে এখন তাঁরা সোনা ও সুইস ফ্রাঁর দিকে ঝুঁকছেন।
মঙ্গলবার আইওয়া অঙ্গরাজ্যে নিজের দ্বিতীয় মেয়াদের অর্থনৈতিক সাফল্য প্রচারের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প ডলারের দরপতন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন। কিন্তু তিনি এই পরিস্থিতিকে ‘ভালো’ বলে অভিহিত করেন। ট্রাম্প উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি মনে করি, ডলারের অবস্থা ভালো। ডলারের মান দেখুন-আমরা যে ব্যবসা করছি, তার দিকে তাকান। ডলার খুব ভালো করছে।’
কিন্তু প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের পরপরই প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে ডলারের মান ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে যায়। আজ বুধবার সকালে এটি আরও শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে। ইতিমধ্যে গত এক বছরে ডলারের মান প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। তবে গতকালের এই পতন ছিল ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর এক দিনে সর্বোচ্চ দরপতন।
ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির পর ডলার এখন সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ট্রাম্পের অনিশ্চিত নীতিনির্ধারণ-যেমন গ্রিনল্যান্ড দখল করার হুমকি এবং ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা বিশ্ববাজারে নতুন করে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। ফলে ডলারের ওপর থেকে আস্থা কমছে বিনিয়োগকারীদের।
ইন্টারঅ্যাকটিভ ব্রোকার্সের মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ সোসনিক বলেন, দুর্বল ডলার একটি মুদ্রার দুই পিঠের মতো। এটি বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য ভালো, কারণ, তাদের বিদেশি আয় ডলারে রূপান্তর করলে বেশি লাভ হবে। কিন্তু এর ফলে আমদানি করা পণ্যের দাম বাড়বে, যা মুদ্রাস্ফীতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।





