পুড়ে যাওয়া অস্থায়ী মন্ডপ পরিদর্শনে এসএমপি কমিশনার
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৩১:৩২ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট নগরীর তারাপুর চা বাগানে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে যাওয়া মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মন্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে গীতা, ধর্মীয় পুস্তক ও অন্যান্য সামগ্রী তুলে দেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সহমর্মিতা জানিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, এই ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা হয়েছে। পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হবে।
এর আগে রোববার ভোরের দিকে কতিপয় দুর্বৃত্ত তারাপুর চা বাগানের কিছু চা শ্রমিক মিলে নির্মিত অস্থায়ী পুজা মন্ডপে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ধর্মীয় পুস্তকাদিসহ অন্যান্য সামগ্রী পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে তারাপুর চা বাগানের ম্যানেজার রিংকু চক্রবর্তী বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে চা বাগানের মূল মালিক শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ জিউ দেবতা মন্দিরসহ দুর্গা মন্দির ও কালী মন্দিরে নিয়মিত এবং বাৎসরিক পূজা অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়। এগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত আছে। এছাড়াও বাগানের অভ্যন্তরে শ্রমিক বস্তিতে একাধিক নির্মিত বেশ কয়েকটি স্থায়ী মন্ডপ সুরক্ষিত রয়েছে। পুড়ে যাওয়া অস্থায়ী মন্ডপটি সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় মেইন রোডের পাশে ছিল। স্থানীয় দুয়েকটি পরিবার নিজ উদ্যোগে শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ জিউ দেবতার জায়গায় মন্ডপটি তৈরী করেছিলেন। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধ রয়েছে বলে শুনেছি। এরপরও কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আগুন দেয়া কোনভাবে মেনে নেয়া যায়না। প্রশাসনের কাছে এর সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জোর দাবী জানাচ্ছি।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, চা বাগান এলাকায় মন্দিরে কে বা কারা আগুন দিয়েছে। মন্দিরটি অস্থায়ী এবং এর জায়গা নিয়ে বিরোধও রয়েছে। এরপরও একটি ধর্মীয় উপাসানলয়ে আগুনের ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সেটি খুঁজে বের করতে পুলিশ চেষ্টা করছে। পুলিশের একটি টীম মন্দিরটি পরিদর্শন করেছেন। মন্দিরে সিসি ক্যামেরা থাকলে সুবিধা হতো। পূর্ব বিরোধের বিষয়টি মাথায় নিয়ে পুলিশ তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।





