কুলাউড়ায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
প্রকাশিত হয়েছে : ২৭ মার্চ ২০২৬, ৯:২৪:৩৪ অপরাহ্ন

কুলাউড়া প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীনতা চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা করা হয়। পরে কুলাউড়া আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। সকাল ৯টায় শহরের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু।
এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান মোল্যা।
দুপুরে উপজেলা পরিষদস্থ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি শওকতুল ইসলাম শকু মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ওসি মো. মনিরুজ্জামান মোল্যা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাবেক আহবায়ক মো. রেদওয়ান খান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমলাকান্ত ভৌমিক, সদস্য সচিব ফারুক মিয়া, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সুশীল চন্দ্র দে, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা সােলেমান খান, সাংবাদিক ময়নুল ইসলাম পবন ও নাজমুল বারী সোহেল প্রমুখ।
পরে উপজেলা শিশু একাডেমির আয়োজনে শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা আবুল বাসারের পরিচালনায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিছুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, কুলাউড়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি সুশীল সেনগুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক মো. খালেদ পারভেজ বখশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।




