সিলেটে বিপিএলের নিরাপত্তায় এসএমপির অপরাগতা : কমছে পুলিশ, বাড়ছে আনসার
প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৫৮:১০ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট নগরীতে চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) বাকি পর্বের ম্যাচগুলোতে নিরাপত্তা সেবা দিতে পুলিশের অপরাগতা জানিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি অভাব, চলমান অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২, অস্ত্র উদ্ধার এবং নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি মাথায় রেখেই পুলিশ সদস্যদের অপ্রতুলতার কারণে অপারগতার প্রকাশ করে এসএমপি।
যদিও শেষ পর্যন্ত বাকী ম্যাচগুলোতে নিরাপত্তা দিতে রাজী হয়েছে এসএমপি। তবে স্টেডিয়ামে নিরাপত্তার কাজে পুলিশ সদস্য কমিয়ে আনসার সদস্য বাড়ানোর বিষয়টিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তারা।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান বিপিএলের ৬ দিনের ১২টি ম্যাচে নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিল সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। হঠাৎ করেই সিলেটে আরো ৬টি অতিরিক্ত ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। এতে নিরাপত্তা নিয়ে বিপাকে পড়ে পুলিশ। তাই সিলেটের পুলিশ সদস্যরা জাতীয় নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় মোতায়েন থাকবেন—এমন কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) চিঠি দেয় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)।
রোববার (৪ জানুয়ারি) এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী স্বাক্ষরিত চিঠিটি বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর কাছে প্রেরণ হয়।এতে বলা হয়, সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিপিএলের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে পুলিশি নিরাপত্তা প্রদান সম্ভব নয়। চিঠিতে বিসিবিকে বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে বিসিবির অনুরোধে বাকী ম্যাচেও নিরাপত্তার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে এসএমপি।
এ ব্যাপারে এসএমপির মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম দৈনিক জালালাবাদকে জানান, নির্বাচনি নিরাপত্তা ঘিরে পুলিশের ব্যস্ততা বেড়েছে। অপরাধ দমন অভিযান ও অস্ত্র উদ্ধারের মতো কার্যক্রমে চাপ তৈরি হলেও প্রথম পর্বে বিপিএলের নিরাপত্তা দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ ঘোষণার সময়ই বিসিবিকে বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে জানানো হয়েছিল।
তিনি বলেন, সোমবার (৫ জানুয়ারি) ম্যাচেও পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। বিকেল থেকে স্টেডিয়ামে আনসার সদস্য মোতায়েন শুরু হয়েছে। যতসংখ্যক আনসার মোতায়েন হবে, সমপরিমাণ পুলিশ সদস্যকে স্টেডিয়াম থেকে নির্বাচনি দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী ম্যাচগুলোতে পুলিশ ও আনসার যৌথভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।





