ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার
প্রকাশিত হয়েছে : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৪২:৪৫ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শবে বরাতের রাতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার পরে দুই দফায় এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দুটো ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষেণ কেন্দ্রের সূত্র জানিয়েছে, দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা বলেন, প্রথম দফায় বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিট ১ সেকেন্ডের সময় ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। পরে ৯টা ৫১ মিনিটে আরেক দফা ভূমিকম্প হয়। এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২।
প্রথম দফায় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের মিংডু বলে জানায় আবহাওয়া অফিস। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব ৫২১ কিলোমিটার। পরের এলাকাটির দূরত্ব নির্ণয়ের চেষ্টা করছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানান, অধিদপ্তরের প্রতিটি স্টেশনেই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পবিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার বলেন, মিয়ানমারের যে এলাকায় ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে, এটি বস্তুত ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। এটি সাবডাকশন জোনের মধ্যে পড়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশে ততটা হয় না।
দুটি প্লেটের সংযোগস্থলকে গবেষকেরা বলেন সাবডাকশন জোন। এর মানে, একটি প্লেটের নিচে যখন আরেকটি প্লেট তলিয়ে যায়। বাংলাদেশে এই সাবডাকশন জোন সিলেট থেকে কক্সবাজারের পাহাড়ি অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। হুমায়ুন আখতার বলেন, এই সাবডাকশন জোন ১৪০০ কিলোমিটার বিস্তৃত। এর প্রস্থ প্রায় ৫০০ কিলোমিটার।




