বড়লেখায় জ্বালানি তেলের জন্য হাহাকার
প্রকাশিত হয়েছে : ৩০ মার্চ ২০২৬, ৭:৩৪:১৫ অপরাহ্ন

বড়লেখা প্রতিনিধি : বড়লেখার তিনটি ফিলিং স্টেশন ও ৪১টি প্যাকড পয়েন্টে নেই কোনো জ্বালানি তেল। মালিকগণ ফিলিং স্টেশন ও প্যাকড পয়েন্ট ডিলার দোকান বন্ধ রেখেছেন। তেলের জন্য ভুক্তভোগিদের চলছে হাহাকার। বন্ধ দোকানের সামনেও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন থাকতে দেখা গেছে।এদিকে, জ্বালানি তেল পাচার ও মজুত রোধে সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের ভিজিলেন্স টিম ফিলিং স্টেশন ও প্যাকড পয়েন্ট মালিকদের নিয়ে সভা করেছেন।
জানা গেছে, বড়লেখায় তিনটি ফিলিং স্টেশন ও ৪১টি প্যাকড পয়েন্ট ডিলার রয়েছে। বেশ কয়েকদিন ধরে ডিপো থেকে এসব দোকানে চাহিদামত পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। যৎসামান্য জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হলেও তা মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায়। অনেকেই বাধ্য হয়ে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। এরপরও তেল নিতে শত শত মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন প্যাকড পয়েন্টে ও ফিলিংস স্টেশনে ভিড় করছে।
এদিকে, জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট, পাচার, মজুত প্রতিরোধ ও যাতে তেল বিক্রয়ে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয় তার লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের ভিজিলেন্স টিম সোমবার দুপুরে উপজেলার প্রত্যেক ফিলিং স্টেশন ও প্যাকড পয়েন্ট মালিকদের নিয়ে সভা করেছে।
সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাঈমা নাদিয়া জানান, জ্বালানি তেল ভোক্তা পর্যায়ে সরবরাহ তদারকি করতে তিনটি ফিলিংস স্টেশনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। বড়লেখায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ফিলিংস স্টেশন ও প্যাকড পয়েন্টে তেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে। কৃত্রিম সংকট নিরসন ও পাচাররোধ এবং সুষ্ঠুভাবে ন্যায্য মূল্যে তেল বিক্রয়ে জেলা প্রশাসনের দেওয়া কিছু নির্দেশনা জ্বালানি তেল ব্যবসায়িদের ডেকে এনে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাঈমা নাদিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য দেন থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এসএম রাশেদুজ্জামান বিন হাফিজ, ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব প্রমুখ।




