দেশের ৬৪ শতাংশ সরকারি স্কুলে নেই প্রধান শিক্ষক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৯:৫৭ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক সংকট নিয়ে একটি তালিকা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। তালিকায় থাকা তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৫৮৬টি সরকারি স্কুলে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান এবং সহকারী শিক্ষকের মোট পদ রয়েছে ১৬ হাজার ৬০১টি। এর মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ১৩ হাজার ১৯২ জন। আর পদ ফাঁকা রয়েছে ৩ হাজার ৪০৯টি পদ।
প্রাপ্ত তথ্য ঘেটে দেখা গেছে, বর্তমানে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ রয়েছে ৫৮৬টি। এর মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ২০৩ জন। আর শূন্য পদের সংখ্যা ৩৮৩টি। অর্থাৎ, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ৬৫ দশমিক ৪ শতাংশ পদ শূন্য রয়েছে।
সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ রয়েছে ৭২২টি। এর মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ৪৭৩ জন। আর শূন্য পদের সংখ্যা ২৪৯টি। অর্থাৎ, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের প্রায় ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ পদ শূন্য রয়েছে।
এছাড়া বিষয়ভিত্তিক সহকারী শিক্ষকের পদ রয়েছে ১৫ হাজার ২৯৩টি। এর মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ৮ হাজার ৯০০ জন। ৩ হাজার ৬১৬ জন সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। পদ শূন্য রয়েছে ২ হাজার ৮৪২টি। অর্থাৎ, বিষয়ভিত্তিক সহকারী শিক্ষকের প্রায় ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ পদ শূন্য। সিনিয়র শিক্ষকের ৪ হাজার ৩০টি শূন্য পদ যুক্ত করলে শূন্য পদের হার আরও বেশি হয়। তবে সৃজনকৃত পদের বাইরে অন্য পদের সংখ্যা যুক্ত করার বিধান না থাকায় সেই হিসেব তুলে ধরা হয়নি।
তালিকার তথ্য বলছে, বর্তমানে বিদ্যালয় পরিদর্শকের পদ রয়েছে ১৬টি। ১৬টি পদই শূন্য। একই ভাবে সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শকের ১৬টি পদও শূন্য। এ ছাড়া সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসারের ৬৪টি পদের সবগুলোই শূন্য রয়েছে। আর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ৬৪টি পদের মধ্যে ৪১ জন কর্মরত। শূন্য রয়েছে ২৩টি পদ।
সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের পদ শূন্য থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের। বাড়তি চাপে দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, স্কুলে শিক্ষক সংকট, সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ অন্যান্য পদগুলো পূরণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি।





