শান্তিগঞ্জে সংঘর্ষের জেরে প্রতিপক্ষের ২০ বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ
প্রকাশিত হয়েছে : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ৭:২০:৩৪ অপরাহ্ন
শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের দূর্বাকান্দা গ্রামে পূর্ববিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষের জেরে প্রতিপক্ষের অন্তত ২০টি বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে সংঘবদ্ধভাবে এসব বাড়িঘরে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় নারী ও শিশুদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের ইউপি সদস্য সাইদুল হক ও তাঁর ভাই শামসুল হক পক্ষের সঙ্গে মৃত ইলিয়াছ মেম্বারের ছেলে সোহেল মিয়া পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতরা সিলেট ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সংঘর্ষের পর সোহেল মিয়া পক্ষের লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যান।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এর জের ধরে শুক্রবার সকালে শামসুল হক পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে পুরুষশূন্য বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে অন্তত ২০টি বসতঘর ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে পালিশ মিয়া বলেন, তিনি ঢাকায় ছিলেন এবং বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষেও উপস্থিত ছিলেন না। শুক্রবার সকালে বাড়িতে এসে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে আবার মারামারির খবর পান। বাড়িঘর ভাঙচুরের সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলে দাবি করেন।
অন্যদিকে শামসুল হক বলেন, বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষের বিষয়ে শুক্রবার সকালে তাঁরা বসেছিলেন। এর মধ্যেই তাঁদের পক্ষের একজন আহত ব্যক্তি মারা গেছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়লে লোকজন উত্তেজিত হয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালায়। চেষ্টা করেও তাঁদের আটকাতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনাটি ঠিক হয়নি উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেন শামসুল হক। রাতে নারীদের ওপর হামলার আশঙ্কার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, আর কোনো সমস্যা হবে না।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওলী উল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন করে সংঘাত এড়াতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।






