বিপ্লব ও সংহতি দিবসে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কর্মসূচি
প্রকাশিত হয়েছে : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৬:২১ অপরাহ্ন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য র্যালি, বৃক্ষরোপণ, আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ৭ নভেম্বর সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১-এর সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি সূচনা হয়। সকাল ৯.৩০ টায় একাডেমিক ভবন-১ এর সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। পরে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে মাননীয় উপাচার্যের বাণী প্রচার এবং সকাল ১০টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে টিআর প্যালেসের নিচতলায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা (ভারপ্রাপ্ত), সহকারী প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত), বিভিন্ন অনুষদের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান সহ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের স্বতঃস্ফূর্ত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক বলেন, এই দিন দেশের ইতিহাসে জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আসুন, আমরা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি। এই দিনটি আমাদের শেখায়, ঐক্যই আমাদের শক্তি।
সভা শেষে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও বাদ যোহর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ অন্যান্য শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় ভাংগারপুল সংলগ্ন ভাদৈ জামে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে একাডেমিক ভবন-১-এর সামনে জাতীয় পতাকা অবনমনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়। বিজ্ঞপ্তি





