ভোটের নিরাপত্তা : তিন জোনে ভাগ হচ্ছে দেশ
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ৯:১৮:০৮ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সারাদেশকে তিনটি জোনে ভাগ করা হচ্ছে। জোনগুলো হলো রেড, ইয়েলো ও গ্রিন। ভোটের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রোববার নির্বাচন সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। এর আগে তিনি কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি আয়োরকর বচওয়েকের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে কমনওয়েলথ সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। একই সঙ্গে কি কি সহায়তা লাগবে, সেসবও জানাতে বলেছেন। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে সার্বিক সহযোগিতা করতে চায় কমনওয়েলথ। এ জন্য ৫৬ সদস্য দেশের সংগঠন হিসেবে তারা পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য প্রস্তুত।
পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ইসি সচিব বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কেও জানতে চান সফররত মহাসচিব। জবাবে বলেছি, সারাদেশকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন; এ তিন জোনে ভাগ করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
ইসি সচিব বলেন, কমনওয়েলথ মহাসচিব বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পর্কে সিইসির কাছে জানতে চেয়েছেন। জানানো হয়েছে যে, ভোটের জন্য প্রয়োজনীয় সব নির্বাচন সামগ্রী প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিদেশে বসবাসকারী ভোটারদের জন্য ওসিভি (আউট অব কান্ট্রি ভোটিং)ুএর প্রক্রিয়াও চলছে। ৫৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম প্রবাসীদের এই অন্তর্ভুক্তি হচ্ছে—এটি জেনে মহাসচিব সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এটি সফলভাবে সম্পন্ন হবে।
সচিব জানান, আইসিপিভির (ইন কান্ট্রি পোস্টাল ভোট) আওতায় দেশের ভেতরে প্রায় ১০ লাখ ভোটার, যারা বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ দায়িত্বে নিয়োজিত—তাঁদেরও ভোটদানের সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। এটিও মহাসচিবের কাছে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।
গণভোট প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, কমনওয়েলথ মহাসচিব বলেছেন যে একই দিনে গণভোট আয়োজন নির্বাচন কমিশনের জন্য বাড়তি দায়িত্ব। তবে ইসি যে প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে, তা দেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল দিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোট করার পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য বিভিন্ন সংস্থা ও বিদেশি কূটনৈতিকদের সঙ্গেও ভোটের আলোচনা করছে সংস্থাটি।




