বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং প্রকাশ্য বিজয় দিবসে পৃথক কর্মসূচি পালন
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৬:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন

বড়লেখা প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, বড়লেখা বিএনপির গ্রুপিং প্রকাশ্য রূপ ধারণ করছে। মঙ্গলবার দুপুরে মহান বিজয় দিবসে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুর নেতৃত্বে তার গ্রুপ বিজয় র্যালি ও সমাবেশ করেছে। বিকেলে অপর দুইগ্রুপ (মরহুম এবাদুর রহমান চৌধুরীর অনুসারী ও শরীফুল হক সাজুর অনুসারী) ঐক্যবদ্ধভাবে বিজয় দিবসের কর্মসূচি পালন করেন। এতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে উপজেলা বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্ব। বিএনপির বিশ্লেষক ও সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের মতে বড়লেখা বিএনপির গৃহদাহ যে পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে, এখন কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ ছাড়া দলে ঐক্য ফেরানোর কোনো পথ খোলা নেই।
দুপুরে উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির ব্যানারে নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু তার অনুসারীদের নিয়ে বড়লেখা পৌরশহরে বিজয় র্যালি ও আলোচনা সভা করেন। ওই বিজয় র্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ নেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সহিদ খান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু, সিনিয়র সহসভাপতি নছিব আলী, সাবেক সহসভাপতি আলাল উদ্দিন, সাবেক আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ ললন-সহ পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।
অপরদিকে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত শরীফুল হক সাজুর নেতৃত্বে বিকেলে পৌর বিএনপির ব্যানারে পৌরশহরে বিজয় র্যালি ও আলোচনা সভা হয়েছে। বিজয় র্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ নেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মুজিবুর রাজা চৌধুরী, পৌর বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামছুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, সাবেক সদস্য আব্দুল হাফিজ চৌধুরী আবু, সিনিয়র বিএনপি নেতা সেলিম চৌধুরী, হারুনুর রশীদ, মহিলা দলের সাবেক সভাপতি আমিনা বেগম ডলি, কাতার বিএনপির নেতা আব্বাস উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কাদির পলাশ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মালিক, জাসাস নেতা রায়হান মো. মুজিব প্রমুখ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র ও তরুণ নেতা জানান, বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী ও উনার অনুসারিরা দলে যে দূরত্ব তৈরী করেছেন এবং বর্তমানে যে পর্যায়ে নিয়ে গেছেন, তাতে এই মুহূর্তে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ ছাড়া দূরত্ব কমানোর কোনো সম্ভাবনা নেই।





