ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি
প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ৯:০০:৩১ অপরাহ্ন

ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সিলেটের সম্মিলিত ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসায়ী নেতারা। বুধবার রাতে সিলেট নগরীর নাইওরপুলে একটি অভিজাত হোটেলের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ট্রাভেল এজেন্সির নেতারা এ দাবী জানান।
সিলেটের প্রবীণ ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায়ী ও আটাবের সিলেটের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান এর সভাপতিত্বে ও সোমা ইন্টারন্যাশনালের মালিক মোতাহের হোসাইন বাবুল এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন শিপার এয়ার সার্ভিসের মালিক খন্দকার শিপার আহমেদ, লতিফ ট্রাভেলসের জহিরুল কবির চৌধুরী, যাত্রীক ট্রাভেলসের আব্দুল জব্বার জলিল, নড়িয়া ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস’র স্বত্বাধিকারী সবুজ মুন্সী, আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোটের আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন টিপু, সদস্য সচিব মোহাম্মদ জুমান চৌধুরী, হজ্ব এজেন্সীজ এসোসিয়েশন হাব এর অর্থ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, এসটিএস ট্রাভেলসের মাহবুব হাবিব শৈবাল, আটাব ঢাকা জোনের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এস এম মহিউদ্দিন সেলিম। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধি কাজী নিয়াজ মোরশেদ, মো. রিপন হোসেন, আমিরুল ইসলাম অনিক, মো. শামীম আহম্মেদ, মো. তুহিন হোসেন, রিয়াদ উদ্দিন আবির, আকবর আলী, মিজানুর রহমান ও আমিনুল ইসলাম রতন প্রমুখ।
নড়িয়া ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস’র স্বত্বাধিকারী সবুজ মুন্সী বলেন, আজকে এসময়টা আমরা নিজেদের ব্যবসায় দেওয়ার কথা, কিন্তু আমরা ব্যবসা ফেলে রেখে একটা কালো অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে। কারা সরকারকে এ আইনটি করার জন্য ইন্ধন দিচ্ছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা দরকার।
সংগঠনের সদস্যসচিব জুমান চৌধুরী বলেন, এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়িত হলে শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, পরিবারের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। অনেক প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক গ্যারান্টি সীমিত থাকার কারণে তারা বড় এজেন্সি থেকে টিকিট সংগ্রহ করে গ্রাহকদের সেবা দেন। এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ বানানো হলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের পথ বন্ধ হয়ে যাবে।
ট্রাভেল এজেন্সির মালিকরা বলেন, অধ্যাদেশের ধারা ৯-এ পরিবারের বাইরে ব্যবসা হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা, এক ঠিকানায় রিক্রুটিং এজেন্টের কার্যক্রম সীমিত করা এবং বিনা শুনানিতে লাইসেন্স স্থগিত করার মতো বিধানগুলো খাতটিকে অকার্যকর করে দেবে। দেশের প্রচলিত আইনেই একই ঠিকানায় একাধিক ব্যবসার লাইসেন্স বৈধ। বহু রিক্রুটিং ও হজ এজেন্সি দীর্ঘদিন ধরে টিকিট সেবা দেওয়ার জন্য একই অফিস থেকে ট্রাভেল ব্যবসা পরিচালনা করছে। ৫ হাজার নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সির মালিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অধ্যাদেশটি বাতিলের আহ্বান জানান ট্রাভেল এজেন্সির নেতারা। বিজ্ঞপ্তি





