শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহত, ইউএনও-ওসি প্রত্যাহার
প্রকাশিত হয়েছে : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:০৬:৫৮ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক: শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি জানান, শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রার্থীদের বিরুদ্ধে জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেবে কমিশন। এক প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ জানান, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির পর আদালতের নির্দেশে কেউ প্রার্থিতা ফিরে পেলে পোস্টাল ব্যালটে তাদের নাম ও প্রতীক থাকবে না।
এর আগে বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তুচ্ছ ঘটনায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিমকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সূত্রপাতের বিষয়ে জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানায় জামায়াত।
সংবাদ সম্মেলনে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের উসকানি ও সরাসরি নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সেখানে বিএনপির সন্ত্রাসীরা আগেই থেকে জামায়াত ও ১১ দলীয় প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলকে হত্যার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিল।
এদিন সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সময় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তিনি। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সেখানে কর্তব্যরত ইউএনও ও পুলিশ প্রশাসন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিয়ে নীরবতা পালন করেছে। এতে প্রমাণিত হয় প্রশাসন একদিকে হেলে পড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলে কিছু থাকবে না এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে এখনই সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বিএনপির সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।





