ভোটের আগে ফাঁকা নগরী
প্রকাশিত হয়েছে : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:০৯:১৫ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার: রাত পোহালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দীর্ঘদিন পর এবার নির্বাচনে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের কারণে এবার দেশবাসী এই সুযোগ পেলেন। এরআগে আওয়ামীলীগ আমলে একতরফা ও প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের কারণে মানুষের মাঝ থেকে নির্বাচনের আগ্রহ হারিয়ে গিয়েছিল। মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই ছেড়ে দিয়েছিল। কিন্তু এবার দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। মানুষের মধ্যে ভোট নিয়ে নানান আলোচনা, পর্যালোচনা। মানুষ উৎসবে আমেজে ভোট উৎসবে অংশ নিতে উদগ্রীব। মানুষের এই উৎসব আরও রাঙিয়ে দিয়েছে টানা দুদিন সরকারি সাধারণ ছুটির জন্য।
টানা দুইদিন ছুটি থাকায় মঙ্গলবার থেকেই মানুষ সিলেট ছাড়তে শুরু করেন। ফলে ভোটের আগে বুধবার অনেকটাই ফাঁকা দেখা যায় নগরী। আগেরদিন থেকে মোটরসাইকেল চলাচল নিষেধ হয়ে যাওয়ায় রাস্তায় ভিড় ছিল কম। অল্প কিছু রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছিল।
দোকানপাট শুধু ভোটের দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও বেশিরভাগ দোকানই ছিল বন্ধ। বিশেষকরে পাইকারী মার্কেটে থাকা দোকান ও ছোটোখাটো চায়ের স্টলগুলো বুধবার খুলেনি। অনেক স্থানে রাতে বিভিন্ন মার্কেটের সিকিউরিটি গার্ডদের চা ও সিগারেট বিক্রি করতে দেখা গেছে। বড়ো রেস্টুরেন্ট খোলা থাকলেও লোকজন ছিল কম।
বুধবার বাড়িফেরত অনেকে বলেন দীর্ঘদিন পর এরকম একটি নির্বাচন পেয়েছি। এরআগের নির্বাচনগুলো মূলত আনুষ্ঠানিতকা ছিল তাই ভোট দেওয়ার কোনো তাড়া অনুভব করিনি। তবে এবার ভোটের মাঠের চিত্র ভিন্ন। তাই আমরা ভোট দিতে বাড়ি যাচ্ছি। এবার একটু সুবিধা হলো দুইদিনে ছুটি পাওয়া। ফলে শান্তিতে যাওয়া যাচ্ছে। একদিন ছুটি হলে বাড়ি যাওয়া এবং ফেরা সম্ভব নয়। তাছাড়া সিলেটে অনেক বাইরের জেলার লোকজন বসবাস করেন। এবার ছুটি থাকায় তারাও বাড়ি গিয়ে ভোট দিতে পারছেন। তারবাইরে এবার ভোটের তারিখও খুব সুন্দর হয়েছে। আগেরদিন ছুটি পরদিন শুক্রবার থাকায় সবকিছু বন্ধ। এতে যারা বাইরে যাবেন তারা খুব রিলাক্সে ভোট দিতে পারবেন।
ভোটের এই পরিবেশের জন্য তারা অন্তরবর্তী সরকারের ধন্যবাদ জানান। তারা আশাপ্রকাশ করেন এই সরকার যদি শেষমুহূর্ত পর্যন্ত একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারে তাহলে ইতিহাসে তারা সুনাম অর্জন করবেন।





