জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ
প্রকাশিত হয়েছে : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৭:০৭ অপরাহ্ন

গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্য নির্ধারণ, ফ্যাসিবাদের নির্মূল এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সিলেট মহানগর শাখা। শুক্রবার বাদ জুমআ’ নগরীর বন্দরবাজার জামে মসজিদের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মহানগর জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা নিজামুদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং মহানগর জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালেক চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জমিয়তের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা খলিলুর রহমান, মহানগরের সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মাওলানা মুখতার আহমদ, দক্ষিণ জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল মুসাব্বির যামডরী, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সদরুল ও হাফিজ আহমদ সগির আমকোনী এবং জালালাবাদ ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হোসাইন আহমদ, সহ-সম্পাদক মাওলানা মুফতি মতিউর রহমান চৌধুরী, সৈয়দ সালিম কাসেমী, উত্তর জেলা জমিয়তের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আম্বিয়া কয়েস, শ্রমিক জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা হাফিজ মাহমুদুল হাসান, মহানগর জমিয়তের অন্যতম নেতা মাওলানা শামীম আহমদ, মাওলানা হাসান আহমদ, মাওলানা লুৎফুর রহমান, এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, মাওলানা রফিক আহমেদ মহল্লী, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মাওলানা এমাদ উদ্দিন সালিম ও মাওলানা আবুল খায়ের, মাওলানা হাবিবুল্লাহ জালালি, সাবেক ছাত্রনেতা সেলিম চৌধুরী, যুবনেতাদের মধ্যে মাওলানা আসাদুদ্দিন, হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার, আবু সুফিয়ান, আব্দুল হাসিব খান, মনসুর আহমদ, আফতাব উদ্দিন খান, সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা খলিল উল্লাহ মাহবুব, এম ফয়সাল আহমদ, দিলদার হোসাইন, আব্দুল কাদির, মাওলানা জিয়াউর রহমান, ও মাওলানা হাসান বিন ফাহিম, ছাত্রনেতা জামিল আহমদ, আবু হানিফা সাদি, মাহাদি চৌধুরী, কোবাইব বিন জামিল, রায়হানউদ্দিন, মীর আইনুল হক ও আনোয়ার চৌধুরী।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের ক্ষোভ ও আকাক্সক্ষা বিবেচনায় নিয়ে দ্রব্যমূল্য এবং তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করতে হবে। অন্যথায় জনগণের ক্ষোভ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে না পারলে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে। তাই দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে যে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত ছিল, তার শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে। ফ্যাসিবাদের বিচার করতে ব্যর্থ হলে দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে। ফ্যাসিবাদের দোসররা বিভিন্ন জায়গায় আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। তাদের প্রতিহত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তারা বলেন, পাড়া-মহল্লা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর ও আপসহীন ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব। বিজ্ঞপ্তি





