জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়

প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার বেড়ে ১৬.২৫%


প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪০:৫৩ অপরাহ্ন

*বছরে বেড়েছে ৩.১০ শতাংশ পয়েন্ট * সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা*

জালালাবাদ রিপোর্ট : দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমলেও সেই অগ্রগতিতে ছেদ পড়েছে। ২০২৪ সালে দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ১০ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। শ্রেণিভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে চতুর্থ শ্রেণিতে। একই সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের টিকে থাকার হারও কমেছে।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) সম্প্রতি প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৫’ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি-২০২৪-এর তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার ছিল ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা বেড়ে ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালে এ হার ছিল ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ। পরবর্তী বছরগুলোতে তা কমে ২০২২ সালে ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং ২০২৩ সালে ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশে নেমেছিল। তবে সর্বশেষ পরিসংখ্যানে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।

চতুর্থ শ্রেণিতে সর্বোচ্চ :
শ্রেণিভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৪ সালে চতুর্থ শ্রেণিতে ঝরে পড়ার হার ছিল ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। তৃতীয় শ্রেণিতে এ হার ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। এ ছাড়া দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৪ শতাংশ, প্রথম শ্রেণিতে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ এবং পঞ্চম শ্রেণিতে শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে।
আগের বছরের সঙ্গে তুলনা করলে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে ঝরে পড়ার হার বৃদ্ধির বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ২০২৩ সালে চতুর্থ শ্রেণিতে এ হার ছিল ৪ দশমিক ৫ শতাংশ, যা পরের বছর বেড়েছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্ট। তৃতীয় শ্রেণিতে হার ৩ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ঝরে পড়ার হার আগের বছরের তুলনায় কমেছে। তবে পঞ্চম শ্রেণিতে এ হার ২০২৩ সালের শূন্য দশমিক ১ শতাংশ থেকে বেড়ে শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতেও অবনতি :
প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার ক্ষেত্রেও পিছিয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা। ২০২৩ সালে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের টিকে থাকার হার ছিল ৮৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা কমে ৮৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে এ হার কমেছে ২ দশমিক ৯৫ শতাংশ পয়েন্ট।
এ ক্ষেত্রে ছাত্রদের অবনতি ছাত্রীদের তুলনায় বেশি। ২০২৩ সালে ছাত্রদের টিকে থাকার হার ছিল ৮৫ দশমিক ৯১ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে কমে ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশে দাঁড়ায়। অর্থাৎ কমেছে ৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ পয়েন্ট।
অন্যদিকে, ছাত্রীদের টিকে থাকার হার ২০২৩ সালের ৮৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ থেকে কমে গত বছর ৮৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পতন ১ শতাংশ পয়েন্ট। ফলে ২০২৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করা পর্যন্ত টিকে থাকার হারে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে ছিল।

অগ্রগতির পর ফের বাড়ল ঝরে পড়া :
ব্যানবেইসের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য বলছে, ২০১২ সালে প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার ছিল ২৬ দশমিক ২ শতাংশ। পরবর্তী বছরগুলোতে তা ধীরে ধীরে কমেছে। ২০১৩ সালে হার ছিল ২১ দশমিক ৪ শতাংশ, ২০১৪ সালে ২০ দশমিক ৯ শতাংশ, ২০১৫ সালে ২০ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ১৯ দশমিক ২ শতাংশ।
২০১৭ সালে এ হার কমে ১৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ১৮ দশমিক ৬ শতাংশে দাঁড়ায়। এরপরও নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। ২০২১ সালে ঝরে পড়ার হার নেমে আসে ১৪ দশমিক ১৫ শতাংশে। ২০২২ ও ২০২৩ সালেও তা কমেছে। কিন্তু ২০২৪ সালে এসে সেই ধারার বিপরীতে ঝরে পড়ার হার বেড়ে যাওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থী ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ আবারও সামনে এসেছে।

জাতীয় এর আরও খবর
ঢাকাই মসলিন ফিরছে বাণিজ্যিক উৎপাদনে

ঢাকাই মসলিন ফিরছে বাণিজ্যিক উৎপাদনে

কালো ধোঁয়া বন্ধের প্রকল্পে ৬০ কোটি টাকার পরামর্শক ব্যয়

কালো ধোঁয়া বন্ধের প্রকল্পে ৬০ কোটি টাকার পরামর্শক ব্যয়

বল প্রয়োগ করলে ফ্যাসিবাদী, না করলে দুর্বল: আইজিপি

বল প্রয়োগ করলে ফ্যাসিবাদী, না করলে দুর্বল: আইজিপি

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ছে পুলিশের

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ছে পুলিশের

সর্বশেষ সংবাদ
সবজি, মাছ-মাংসে বাড়তি দর  ‘আয় বাড়ে না, বাড়ে খরচ’ 
সবজি, মাছ-মাংসে বাড়তি দর ‘আয় বাড়ে না, বাড়ে খরচ’ 
ঢাকাই মসলিন ফিরছে বাণিজ্যিক উৎপাদনে
ঢাকাই মসলিন ফিরছে বাণিজ্যিক উৎপাদনে
কালো ধোঁয়া বন্ধের প্রকল্পে ৬০ কোটি টাকার পরামর্শক ব্যয়
কালো ধোঁয়া বন্ধের প্রকল্পে ৬০ কোটি টাকার পরামর্শক ব্যয়
স্কুল ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ : যুবক গ্রেফতার
স্কুল ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ : যুবক গ্রেফতার
গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল ইউকের বার্ষিক সাধারণ সভা
গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল ইউকের বার্ষিক সাধারণ সভা
দক্ষিণ সুরমায় দীর্ঘদিন ধরে বৈদ্যুতিক খুঁটি ফেলে রেখেছে পিডিবি
দক্ষিণ সুরমায় দীর্ঘদিন ধরে বৈদ্যুতিক খুঁটি ফেলে রেখেছে পিডিবি
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগের আলোচনা সভা
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগের আলোচনা সভা
শহীদ সুলেমান স্মৃতি প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সম্পন্ন
শহীদ সুলেমান স্মৃতি প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সম্পন্ন
জালালপুরে ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদের নাগরিক সংবর্ধনা
জালালপুরে ব্যারিস্টার মুস্তাক আহমদের নাগরিক সংবর্ধনা
১,৬৭৫ পিস ইয়াবাসহ এসআরবির জালে যুবক
১,৬৭৫ পিস ইয়াবাসহ এসআরবির জালে যুবক
এসএমপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আন্তঃ ভলিবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন
এসএমপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আন্তঃ ভলিবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন
পরিবেশ রক্ষায় গবেষণা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান : ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম 
পরিবেশ রক্ষায় গবেষণা ও জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান : ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম 
সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন
সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন
সিলেটে আবু হেনা চৌধুরীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
সিলেটে আবু হেনা চৌধুরীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে আরও মিললো ৮৯ লাখ টাকা, মিলেছে বিদেশি মুদ্রা-স্বর্ণ-রুপা
শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে আরও মিললো ৮৯ লাখ টাকা, মিলেছে বিদেশি মুদ্রা-স্বর্ণ-রুপা
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top