জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ

রিসোর্ট বাণিজ্যে হুমকিতে সুন্দরবন


প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ জুন ২০২৪, ৭:৩৫:০৬ অপরাহ্ন


জালালাবাদ রিপোর্ট: গত সপ্তাহে দেশে উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রলয়ঙ্কারী ঘূণিঝড় রিমালের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিল সুন্দরবন। এর আগে সিডরসহ বিভিন্ন সময় ভয়ঙ্কর সব ঘূর্ণিঝড় বুক পেতে প্রতিহত করে আসছে এই বন। কিন্তু কিছু মানুষের অতি লোভ এবং বাণিজ্যিক লালসার জন্য প্রকৃতির এই রাখাল আজ ধ্বংসের দিকে।

খুলনার দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ও বানিয়াশান্তা ইউনিয়নের সুন্দরবনে গড়ে উঠেছে অন্তত ৩৫টি রিসোর্ট। বন ঘেঁষে গড়ে ওঠা এসব রিসোর্টে প্রতিনিয়ত পর্যটকরা আসছেন। সামাজিক মাধ্যমে নানা চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে রিসোর্টগুলো পর্যটক টানছে। বেড়াতে আসা মানুষ সেখানে উচ্চস্বরে গানবাজনা ও ডিজে পার্টি করছেন। যা বনের জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা রিসোর্টগুলোর অনুমোদন নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। এ বিষয়ে নিজেদের দায় এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও বনবিভাগ একে অপরের দিকে আঙ্গুল তুলছে।

কোনো আইনের তোয়াক্কা না করে রিসোর্ট তৈরি করায় চতুর্মুখী সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এখনি কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে একদিকে বন ধংস হবে, অন্যদিকে বনে ঘুরতে আসা পর্যটকদেরও পড়তে হবে ঝুঁকিসহ নানা বিড়ম্বনায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি সুন্দরবনে আগুনে প্রায় ৭ একর বনাঞ্চল পুড়ে যাওয়ার পরই আলোচনায় উঠে এসেছে বিষয়টি।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের অধীনে বনবিভাগের লাউডোব টহল ফাঁড়ির ঠিক অপর পাশেই ‘বনলতা’ নামে একটি রিসোর্ট রয়েছে। ইকো রিসোর্ট বলা হলেও এর রুম, খাবার স্থান এবং ওয়াশ রুমের মেঝেতে কনক্রিটের টাইলস বসানো। সুন্দরবনের মাত্র ৫০ মিটারের মধ্যে রিসোর্টটিতে নিজস্ব ব্যবস্থায় দেওয়া সাউন্ডবক্সে বাজানো হয় ডিজে গান। রিসোর্টের ভেতরে মাত্র তিনটি রুম এবং সুন্দরবনমুখী খোলা জায়গা। জনপ্রতি ২০০ টাকা দিয়ে রিসোর্টের ব্যবস্থাপনায় নৌকায় করে নিয়ে যাওয়া হয় সুন্দরবনের ভেতরে। রিসোর্টটির রুমের নিচে পড়ে থাকা চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিকের বোতল জোয়ারের পানিতে ভেসে যাচ্ছে বনের ভেতর। মাত্র ১০০ গজ দূরে থাকা বনবিভাগের টহল ফাঁড়ি এভাবে যে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এ বিষয়ে কিছুই জানে না।

শুধু বনলতা নয়। দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ও বানিয়াশান্তা ইউনিয়নে সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠছে ৩৫টি রিসোর্ট। এর মধ্যে ‘বনলতা’ ও ‘ম্যানগ্রোভ হ্যাভেন’ দুটি রিসোর্ট কৈলাশগঞ্জে। বাকি রিসোর্টগুলো বানিয়াশান্তায়। এলাকাটি ঘুরে দেখা যায়, ‘বনবাস’, ‘ইরাবতি’, ‘মাটির ময়না’, ‘জঙ্গলবাড়ি’, ‘নির্বাসন, ‘সুন্দরী’, ‘বনবিবি’ নামের রিসোর্ট রয়েছে। কয়েকটি রিসোর্টের নির্মাণ কাজ চলছে। এখনো ওই রিসোর্টগুলোর নাম নির্ধারণ করা হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বনলতা, বনবাস, ম্যানগ্রোভ হ্যাভেন, ইরাবতি, বনবিবিসহ কয়েকটি রিসোর্টে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটক আসেন। তারা হরহামেশা বনের মধ্যে প্রবেশ করছেন। বিড়ি-সিগারেট ও চিপসের প্যাকেট ফেলছেন নদীর পানিতে। যার ফলে হুমকিতে পড়েছে সুন্দরবন।
হুমকিতে সুন্দরবন জীববৈচিত্র্য: একের পর এক রিসোর্ট নির্মাণ হওয়ায় হুমকিতে পড়তে যাচ্ছে সুন্দরবন এবং এ এলাকার জীববৈচিত্র্য। সুন্দরবনের লাউডোব টহল ফাঁড়িতে সিপিজি হিসাবে কাজ করা শর্মিলা জানান, বন এক জায়গায়, এর লোকালয় এক জায়গায়। এরপরও বন রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এখন একের পর এক রিসোর্ট তৈরি করে প্রচুর মানুষ প্রতিনিয়ত সুন্দরবনে অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করছে। তারা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। অনুমতি না নিয়ে বনের ভেতরে প্রবেশ করে ব্যবহার্য প্লাস্টিকের বর্জ্য ফেলছে, উচ্চস্বরে গান বাজাচ্ছে। তারা বিভিন্নভাবে বনের ক্ষতি করছে। বনবিভাগ বা কাউকে তারা তোয়াক্কা করে না।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. ওয়াসিউল ইসলাম বলেন, ‘সুন্দরবনের মধ্যে অবাধ বিচরণের বিষয়ে সুন্দরবন ভ্রমণ আইন-২০১৪ আছে। যেটা অবশ্যই মানতে বাধ্য সব ভ্রমণকারী। সরকারের এই মুহূর্তে সুরক্ষা নামের একটি প্রজেক্টের আওয়াতায় ইকো-ট্যুরিজম একটা বিষয় আছে। একটি কটেজ করতে হলে অনেকগুলো বিষয় মানা উচিত, এর নীতিমালা থাকা উচিত। অচিরেই নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের দায় এড়ানো বা সমন্বয়হীনতার কোনো সুযোগ নেই।
বনবিভাগ ও প্রশাসনের সমন্বয়হীনতা: সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে একের পর এক ইকো-রিসোর্টের নামে যে স্থাপনা তৈরি হচ্ছে এবং অনুমতি না নিয়ে সুন্দরবনে অবাধ বিচরণে স্থানীয় প্রশাসন ও বনবিভাগ একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলছে। কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিহির রঞ্জন অধিকারী বলেন, ‘আমার এলাকা এবং বানিয়াশান্তা এলাকায় মোট ৩৫টি রিসোর্ট হয়েছে। এর কয়েকটি আমার এলাকায়। আমরা শুধু ট্রেড লাইসেন্স দিয়েছি।’
ইকো ক্রিটিক্যাল এরিয়ার ভেতরে স্থাপনার অনুমতি দেওয়ার আগে সব কিছু বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিলো কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে এই বিষয়ে আমার তেমন কোনো জ্ঞান নেই।’
খুলনা বিভাগীয় বন অফিসের সদর অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান বলেন, ‘বনে আমাদের একটা নির্দিষ্ট সীমানা আছে। এর এক ইঞ্চি দূরেও যে কেউ কোনো কিছু করলে এটার দেখার এখতিয়ার আমাদের না। বনের মধ্যে ঢুকে কেউ কিছু করলে আমরা ব্যবস্থা নেবো। আমরা এসব বিষয় সমন্বয় মিটিংয়ে বিভিন্ন সময় কথা বলার চেষ্টা করলে স্থানীয় প্রশাসন আমাদের কথা শোনে না। আমাদের এখানে কিছু করার নেই।’
দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়দেব চক্রবর্তী বলেন, ‘রিসোর্ট কয়েকটি হয়েছে। আমি আসার আগেই সেগুলো হয়েছে। কেউ কোনদিন কোনো ধরনের অনুমতি নিতে আসেননি। এগুলো করতে কোনো অনুমতি আদৌ লাগে কি না বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি আমরা অবশ্যই খোঁজ নেবো। এসব বিষয়ে মিটিং আহ্বান করলে বন বিভাগের কর্মকর্তারা মিটিংয়ে আসেন না। আমাদের কিছু জানান না। আমরা তাদের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা পাই না।’
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দরবন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ইকো ট্যুরিজমের নামে যা হচ্ছে, এর মূল্য একদিন দিতে হবে। এখনও চিন্তা করার সুযোগ আছে। এখনই একটি নীতিমালা তৈরি করতে হবে। নীতিমালা না হলে ইকো ট্যুরিজম আমাদের আশীর্বাদের বদলে অভিশাপ হিসাবে দেখা দেবে।’

 

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে সিলেট যুবদলের শ্রদ্ধা

শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে সিলেট যুবদলের শ্রদ্ধা

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন  : প্রবৃদ্ধি দুর্বল, বাড়ছে দারিদ্র্য, ঝুঁকিতে ব্যাংক খাত

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন : প্রবৃদ্ধি দুর্বল, বাড়ছে দারিদ্র্য, ঝুঁকিতে ব্যাংক খাত

রোজার আগে ভোট চায় ইসি, সরকারের লক্ষ্য জুন

রোজার আগে ভোট চায় ইসি, সরকারের লক্ষ্য জুন

সরকারের কার্যকর পদক্ষেপে বাজারে স্বস্তি ফিরেছে : নাসিম হোসাইন

সরকারের কার্যকর পদক্ষেপে বাজারে স্বস্তি ফিরেছে : নাসিম হোসাইন

সর্বশেষ সংবাদ
নাগরিকদের গোপন তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রি: ৪ পুলিশ গ্রেপ্তার 
নাগরিকদের গোপন তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রি: ৪ পুলিশ গ্রেপ্তার 
রেমিট্যান্সে খরচ বেড়েছে
রেমিট্যান্সে খরচ বেড়েছে
কালোবাজারে ট্রেনের টিকিট, স্ব উদ্যোগে আদালতের মামলা
কালোবাজারে ট্রেনের টিকিট, স্ব উদ্যোগে আদালতের মামলা
রহমানীয়া কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সেলাই মেশিন বিতরণ
রহমানীয়া কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সেলাই মেশিন বিতরণ
গোয়াইনঘাটে সোনালী ব্যাংক শাখায় ম্যানেজারদের বিদায় ও বরণ
গোয়াইনঘাটে সোনালী ব্যাংক শাখায় ম্যানেজারদের বিদায় ও বরণ
কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রশাসক: সিসিককে আরও জনবান্ধব হিসেবে গড়তে চাই
কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রশাসক: সিসিককে আরও জনবান্ধব হিসেবে গড়তে চাই
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে সিলেট যুবদলের শ্রদ্ধা
শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে সিলেট যুবদলের শ্রদ্ধা
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের সুরক্ষায় আইওএম-হাইকমিশন বৈঠক
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের সুরক্ষায় আইওএম-হাইকমিশন বৈঠক
২ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ২৯%
২ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ২৯%
জেট ফুয়েলের দাম লিটারে বাড়ল ১৭ টাকা
জেট ফুয়েলের দাম লিটারে বাড়ল ১৭ টাকা
স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট
স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট
এক পরিবারে একাধিক সারের ডিলারশিপ নয়
এক পরিবারে একাধিক সারের ডিলারশিপ নয়
আরও ৩৫ লাখ শিশু পাবে হামের টিকা
আরও ৩৫ লাখ শিশু পাবে হামের টিকা
ডেঙ্গু-হামে আরও ১৪ মৃত্যু
ডেঙ্গু-হামে আরও ১৪ মৃত্যু
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবির ১৮ শিক্ষার্থী
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবির ১৮ শিক্ষার্থী
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top