২৫৩ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ঘোষণা
প্রকাশিত হয়েছে : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০১:১৯ অপরাহ্ন
১৭৯ আসনে জামায়াত, এনসিপি ৩০
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ৩, বিডিপি ২ ও নেজামে ইসলাম ২
স্টাফ রিপোর্টার : সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সমঝোতায় পৌঁছলো জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। দিনভর আলোচনা শেষে সন্ধ্যা রাতে ঘোষণা করা হলো ২৫৩ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা। ‘১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’ ব্যানারে প্রার্থী চূড়ান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
এতে জামায়াত ১৭৯ আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করবে। এছাড়া এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ৩, বিডিপি ২ ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে লড়বে।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সন্মেলন শুরু হয়। রাত ৯টার পর প্রার্থী তালিকার ঘোষণা দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
তাঁর আগে জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যাকে যেখানে দেওয়া হয়েছে তারা ১১ দলের এবং দেশবাসীর ক্যান্ডিডেট। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১১ দলীয় জোটের মধ্যে ১০টি দলের আসন নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জোটে আছে। তবে তাদের জন্য এই মুহূর্তে আমরা আসন বন্টন করতে পারিনি। পরবর্তীতে আলোচনা করবো। বাকি আসনগুলোতে বাকি শরিকদের নিয়ে ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে হবে।
এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টিসহ ১০টি দলের শীর্ষ নেতারা।
আসন সমঝোতায় পৌঁছাতে বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়। যা চলে প্রায় চার ঘণ্টা মতো।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ ১১ দলীয় জোটের মধ্যে আসন সমঝোতা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৭৯টি আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
ড. ইউনূসের সঙ্গে সপরিবারে
সাক্ষাৎ করলেন তারেক রহমান
জালালাবাদ ডেস্ক : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পৌঁছান তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ছিলেন।
রাত সোয়া ৯টার দিকে যমুনা থেকে বের হয়ে গুলশানের বাসার উদ্দেশে রওনা হন তাঁরা। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসভবনে যান তারেক রহমান। বাসভবনে সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে প্রবেশ করে ৬টা ৫২ মিনিটে সেখান থেকে বেরিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসে করে যমুনার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
যুক্তরাজ্যের লন্ডন সফরকালে গত বছরের ১৩ জুন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রথমবার তারেক রহমানের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন। তখন তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে দুজনের সেই বৈঠকের পর উভয় পক্ষের প্রতিনিধি যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন।
যুক্তরাজ্যে ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। গত ৩০ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন।
এর ১০ দিনের মাথায় ৯ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারম্যান হন তারেক রহমান। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে দলের সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে গতকালই প্রথম তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন।




