সিলামে রাসেল হত্যা মামলায় ৩ দিনেও গ্রেপ্তার নেই
প্রকাশিত হয়েছে : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৯:০৩ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলামে হযরত শাহ তৈয়ব ছয়লানি (রহ.) ওয়াকফ এস্টেটের বিরোধে নিয়ে সংঘর্ষে রাসেল আহমদ শাহ (২৩) নিহতের ঘটনায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হলেও তিন দিনেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। রোববার (অক্টোবর) নিহতের মা মোছাম্মৎ রাজনা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন; এতে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে সিলাম চকেরবাজারে ওয়াকফ এস্টেট, মাজার-মসজিদ ও দোকানকোঠা পরিচালনা নিয়ে জেরে শাহ ও শেখ গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন চকেরবাজার এলাকার শারুক মিয়ার ছেলে রাসেল। পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাসেলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দুইপক্ষ আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা ও মোগলাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকদিন আগে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে রাসেলের সঙ্গে অপরপক্ষের বিরোধ তৈরি হয়েছিল।
এদিকে রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মোগলাবাজার থানায় করা মামলায় ফজলু মিয়া, আবেদ রাজা, ইয়াসিন আহমদ ফাহিম, আব্দুস সামাদ, রনি, তানিম আহমদ, সুমন আলী, শহীদ আলী, কামরান, মাহবুব, জুবের আহমদ জুবেল, রাফি, সালমান, আহমাদুর রহমান সাদেক, মাসুম, মুহিন, রাজু মিয়া, মোজাহির আলী, আলী রুবেল, গুল্লি সুয়েব, সিরাজুল ইসলাম ও উজ্জ্বল মিয়াসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
মঙ্গলবার এর সত্যতা নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মো. আফজাল হোসেন জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
এর আগে ২১ আগস্ট একই ওয়াকফ এস্টেটের বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মোগলাবাজার থানার ওসি মো. মনির হোসেনসহ আট পুলিশ সদস্য এবং উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। ওই ঘটনায় দুইপক্ষ ও পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথক মামলা হয়েছিল। মীমাংসার উদ্যোগের মধ্যেই দেড় মাসের ব্যবধানে ফের সংঘর্ষে প্রাণ যায় রাসেলের।






