ছাড়ের নামে প্রতারণা দুই দোকানকে জরিমানা
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে মূল্যছাড়ের নামে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে দুটি কাপড়ের দোকানকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে পৃথক অভিযানে ‘জোহা’ শোরুমকে ২০ হাজার এবং ‘বি বন্ড’ দোকানকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জোহার একটি পাঞ্জাবির ক্রয়মূল্য ছিল ৭০০ টাকা। অথচ প্রাইস ট্যাগে দাম লেখা ছিল ২ হাজার ৮৯০ টাকা। পরে ওই দামের ওপর ৭০ শতাংশ ছাড় দিয়ে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৮৬৭ টাকা। অর্থাৎ ছাড়ের বিজ্ঞাপন দিয়েও পাঞ্জাবিটি ক্রয়মূল্যের চেয়ে ১৬৭ টাকা বেশি দামে বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। শোরুমের ইনভয়েস ও প্রাইস ট্যাগ যাচাই করে এ অসংগতি শনাক্ত করেন কর্মকর্তারা। এবিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পেরে পরে মূল্য নির্ধারণে ভুলের কথা স্বীকার করেন শোরুমের প্রতিনিধি।
অন্যদিকে, নগরীর জিন্দাবাজারের বারুতখানা এলাকায় অবস্থিত বি বন্ডের বিরুদ্ধে মূল্যছাড় ও আকর্ষণীয় উপহারের বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞাপনে দামি মোড়ক বা প্যাকেটের কথা বলা হলেও বাস্তবে অত্যন্ত সস্তা মোড়কে পোশাক সরবরাহ করা হচ্ছিল। এছাড়া অনেক পণ্যে বিজ্ঞাপনের তুলনায় মাত্র ১০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছিল বলে জানান অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।
জোহায় অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আরিফ মিয়া। আর বি বন্ডে অভিযান পরিচালনা করেন সিলেট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা। পৃথক দুটি অভিযানে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।
মোহাম্মদ আরিফ মিয়া জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরের বিভিন্ন বিপণিবিতান ও দোকানে মূল্যছাড়ের বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে। এসব ছাড়ের আড়ালে ক্রেতারা যাতে প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য কয়েক দিন ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে। সাম্প্রতিক অভিযানগুলোতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে, দেবানন্দ সিনহা জানান, বি বন্ডকে জরিমানার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। ক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষায় তদারকি অব্যাহত থাকবে।






